মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একি করলো ইরান, তোলপাড় বিশ্ব জুড়ে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একি করলো ইরান
প্রতীক ছবি

ইরানি হ্যাকারদের একটি গ্রুপ যুক্তরাষ্ট্রের একটি ওয়েবসাইট হ্যাকের দাবি জানিয়েছেন। যদিও মার্কিন ওই সাইটি খুব বেশি সফল এবং জনপ্রিয় নয়। ওই মার্কিন ওয়েবসাইটটি হ্যাক করে জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার ঘটনায় ওয়াশিংটনের বিপক্ষে বদলা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বিগত শনিবার। বিগত শুক্রবার বাগদাদের আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টে যুক্তরাষ্ট্রের এক হামলায় ইরানের কুর্দস বাহিনীর ক্ষমতাধর জেনারেল কাসেম সোলেইমানি এবং এক ইরাকি মিলিশিয়া প্রধান প্রাণ হারান।

শনিবার ফেডারেল ডিপোজিটরি লাইব্রেরি প্রোগ্রাম নামের একটি ওয়েবসাইটটি হ্যাক করে সেখানে ইরানি হ্যাকার নামের একটি পেজ খোলা হয়। এছাড়া ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং ইরানের পতাকা প্রদর্শন করা হয়। সোলেইমানির মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ইরান।, আল্লাহর দয়ায় তার নির্মম হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে। নিজেদের অপবিত্র হাতে যারা

সোলেইমানি ও বাকি শহীদদের রক্ত ঝড়িয়েছেন সেই সব হত্যাকারীদের জন্য কঠিন পরিণতি অপেক্ষা করছে এমন বার্তা দেয়া হচ্ছে। সেখানে জানানো হয়েছে, এটি ইরানের সাইবার ওয়েবসাইটের ছোট্ট একটি প্রচেষ্টা মাত্র। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, বাগদাদে মার্কিন কর্মকর্তাদের ওপর হামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সোলেইমানি। তাই গত শুক্রবার বাগদাদে হামলা চালিয়ে সোলাইমানিকে হত্যা করা হয় মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্দেশে।

সমস্তরকম এক্সক্লুসিভ খবর পেতে লাইক করুন

ইরানীয় নেতারা অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন কাসেম সোলেইমানির মার্ডারের বদলা নিতে। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকার ইরানকে পাল্টা হুমকি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের বাহান্ন স্থানকে টার্গেট করা হয়েছে। যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ইরানের উন্নত সারির খুবই ইম্পর্টেন্ট কিছু স্থান। এই জায়গাগুলো ইরানীয় শিল্প সংস্কৃতির অন্যতম পীঠস্থান।ঐ স্থানগুলো তে ভয়ংকরতম হামলা চালানোর কথা রয়েছে।

ট্রাম্পের মতে, আমেরিকা আর কোনো থ্রেট চায় না। তিনি আরও জানিয়েছেন, ১৯৭৯ সালে নভেম্বর মাসে তেহরানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে বাহান্ন জন আমেরিকানদের জিম্মি করা হয়েছিল। তাদের ৪৪৪ দিন বন্দি করে রাখা হয়েছিল। ওই ঘটনা ভোলে নি আমেরিকা। তাদের স্মৃতির স্মরণেই প্রতিশোধ নিতে বাহান্নটি ইরানীয় স্থানকে লক্ষ্য করা হয়েছে।