উত্তর কোরিয়ার স্বৈ’রা’চা’রী শা’স’ক হটাৎ রো’গা হয়ে গেলেন, তু’ঙ্গে জ’ল্প’না

উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারী শাসক কিম জং উনকে নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের কৌতুহলের শেষ নেই। উত্তর কোরিয়া এই স্বৈরাচারী শাসন তন্ত্র বরাবরই রহস্যের আড়ালেই থেকে গিয়েছে। বিশেষত কিম জং উন এবং তার শাসন সম্পর্কে রীতিমতো আতঙ্কিত আন্তর্জাতিক মহল। এহেন কিম জং উনকে দীর্ঘ একমাস ব্যাপী জনসমক্ষে দেখা যায়নি! তারপরেই অন্তর্ধান কাটিয়ে যখন তিনি প্রকাশ্যে এলেন তখন দুনিয়ার জন্য অপেক্ষা করেছিল আর একটি চমক।

উত্তর কোরিয়ার সেই মোটাসোটা, গোলগাল চেহারার বলতে গেলে প্রকৃত অর্থেই হেভিওয়েট স্বৈরাচারী শাসক কিম জং উনের চেহারা দেখে কেউ আর তার আগের চেহারার মিল খুঁজে পাচ্ছেন না! আগের তুলনায় অনেক রোগা হয়ে গিয়েছেন তিনি। আগে যেখানে তার ওজন ছিল ১৪০ কেজির কাছাকাছি, বর্তমানে তার অর্ধেকেরও কম হয়ে গিয়েছে তার স্বাস্থ্য! কিমের চেহারার এই পরিবর্তন বেশ ধরা পড়েছে নেটিজেনের চোখে।

কিম জং উনের এই চেহারা দেখে আন্তর্জাতিক মহলে বহু বিতর্ক দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন কিম হয়তো অসুস্থ। তার অসুস্থতার দরুন তিনি হয়তো নিজের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফেলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। যদি প্রথমটি সত্যি হয়, তাহলে হয়তো উত্তর কোরিয়া ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় উত্তরাধিকারী খোঁজার কাজ শুরু করে দিয়েছে বলে অনুমান আন্তর্জাতিক মহলের।

তবে যদি দ্বিতীয় অনুমানটি সঠিক হয়, অর্থাৎ ডায়েটিং করে যদি কিম নিজের ওজন ঝড়িয়ে ফেলে থাকেন, তাহলে অবশ্য আশঙ্কার কিছু দেখছেন না তারা। কিম জং উন বরাবর রহস্যের আড়ালেই থেকে গিয়েছেন। এবারেও তাকে ঘিরে আরেক নতুন রহস্য দানা বাঁধছে। সম্প্রতি কিম জং উনের মৃত্যুর জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছিল আন্তর্জাতিক মহলে। তবে আবারো লোকচক্ষুর সামনে এসে তিনি সেই বিতর্ককে মিথ্যে প্রমাণ করেন।