৯ বছরের মধ্যে জলের ত’লা’য় ত’লি’য়ে যাবে কলকাতার বিস্তীর্ণ অং’শ, তালিকায় আ’ছে আ’রো ৭ টি শহর

দূষণ এবং গ্লোবাল ওয়ার্মিং বোধকরি কমার আর কোনো রাস্তা নেই। যত দিন যাচ্ছে আবহাওয়া পরিবর্তন হচ্ছে ততো দ্রুত। এর মধ্যে এমন একটি চিত্র সামনে এলো যা দেখে ভয় কাটা দিয়ে দিতে পারে আপনার গায়ে। জানা গেছে ক্রমাগত বাড়তে থাকা গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর ফলে ২১০০ সালের মধ্যে জলের তলায় তলিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর নয়টি বড় বড় শহর।

আইপিসিসির রিপোর্ট অনুযায়ী ক্রমাগত বেড়ে চলেছে পৃথিবীর তাপমাত্রা। কিন্তু সেই দিকে নজর নেই কারোর। বিশেষ বিশেষ কিছু দিন ছাড়া মানুষ পরিবেশবান্ধব কাজকর্ম করে না কোনদিন। আর ঠিক সেই কারণে ফল ভোগ করতে হবে সারা বিশ্বকে ২০৩০ সাল থেকেই। চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন কোন শহরে বিপদসীমার উপরে রয়েছে।

আমস্টারডাম: এই শহর উত্তর সাগরের কাছে অবস্থান করছে। প্রায়শই এই শহর বন্যার সম্মুখীন হয়। বন্যা প্রতিরোধ করার জন্য এই শহরের মানুষেরা বাঁধ, লেভি এবং ফ্লাডগেটের ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু আগামী দিনে এই শহরে বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলে মতামত বিশেষজ্ঞদের।

বাসরা: ইরাকের একটি প্রধান বন্দর শহর হল এটি। এই শহরের পাশে রয়েছে শাত-ইল-আরব নদী, যা পারস্য উপসাগরে গিয়ে মিশেছে। এই শহরে রয়েছে একাধিক খাল এবং নালার জালিকা, যা ভবিষ্যতে এই শহরকে বিপদের সম্মুখীন করে দিতে পারে।

নিউ অর্লিন্স: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত পরিচিত একটি শহরে এটি। এই শহরের উত্তর রয়েছে মাউরেপাস হ্রদ এবং দক্ষিনে সালভাদর হ্রদ, লিটক লেক। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে এই শহর মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

সাভানা: এই শহর জর্জিয়ার একটি হারিকেন হটস্পট- এ রয়েছে। আবহাওয়া মারাত্মক বিপজ্জনক না হলেও এই শহর পুরোপুরি সমুদ্রগর্ভে চলে যেতে পারে।

জর্জ টাউন: গায়ানার রাজধানী শহর নিজেকে সুরক্ষিত করার জন্য একটি লম্বা সমুদ্র প্রাচীরের উপর নির্ভর করে রয়েছে। আগামী দিনে নিজেকে সুরক্ষিত করতে গেলে এই প্রাচীর আরো বড় করতে হবে তাদের।

হো চি মিন: ভিয়েতনামের এই শহর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড়ের কারণে নিশ্চিত বন্যার কবলে পড়বে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভেনিস: এই শহর ইতালিতে অবস্থিত। বন্যা পরিস্থিতি থেকে নিজেকে সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হলেও এই শহরকে বাঁচিয়ে রাখা যথেষ্ট ব্যয়বহুল

কলকাতা: সর্বশেষে নাম করতে হবে কলকাতার। এই শহরের পাশেই রয়েছে গঙ্গা নদী। বর্ষাকালে কলকাতায় জল জমা অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি ঘটনা। আগামী দিনে বর্ষাকালের পরিস্থিতি আরও সংকটজনক হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।