রাজ্যপাল জানতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাবেন না যশের বৈ’ঠ’কে! চা’ঞ্চ’ল্য’ক’র দা’বি

গত শুক্রবার কলাইকুন্ডাতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিত না হওয়ার নিয়ে রাজ্য রাজনীতির পারদ এখনও সরগরম। এইবার এই বিতর্কিত বিষয়টিকে নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি জানাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী যে ঐদিন প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে উপস্থিত হবেন না, সে খবর তার জানা ছিল। তিনি জানাচ্ছেন বৈঠক শুরু হওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।

রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠককে কেন্দ্র করে যে তরজা শুরু হয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যপালের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। গত ২৭ মে রাত ১১টা ১৬ মিনিট নাগাদ মেসেজ মারফত রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলতে চেয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর তিনি নিজেই রাজ্যপালকে ফোন করে কথা বলে এই ইঙ্গিত দেন যে, বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকলে তিনি বৈঠকে উপস্থিত হবেন না!

তবে এদিন শুধু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয়, রাজ্যপালের আক্রমণের নিশানায় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর নতুন মুখ্য উপদেষ্টা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্য সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপালের এদিন টুইটারে লিখেছেন, ২৮শে মে দিনটি ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে কালো দিন হিসেবে লেখা থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনা বৈঠকেই কার্যত ভারতীয় গণতন্ত্র ধ্বংস হয়েছে বলে মন্তব্য করেন রাজ্যপাল।

প্রসঙ্গত বিগত বেশ কয়েকদিন যাবৎ আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়েও কার্যত কেন্দ্র এবং রাজ্যের তরজা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অন্যত্র সরিয়ে দিতে চেয়েছেন। তবে পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে রাজি নন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই তিনি আইএস অফিসার পদ থেকেও অবসর নিয়ে নেন।