Cartoon দে’খে তা অ’নু’ক’র’ণ করতে গিয়ে গ’লা’য় ফাঁ’স লেগে মৃ’ত্যু নদীয়ার শিশুর

কার্টুন দেখার নেশা এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে গেল নদীয়ার নাকাশিপাড়ার গোটপাড়ায়। মাত্র সাত বছরের এক শিশুর গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা গেল। ঘটনাটি যখন ঘটেছে তখন পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলেই জানিয়েছেন। মৃত ওই শিশুর নাম সাজিরুল শেখ। শিশুটির মামা জানাচ্ছেন, কার্টুন দেখায় মগ্ন ছিল তার ভাগ্নে। কার্টুন দেখার নেশা থেকেই সম্ভবত গলায় ফাঁস লাগিয়ে থাকবে সে। এরপর খুলতে না পেরে ঘটে যায় এই বিপত্তি।

শিশুটির মা ঘরে এসে দেখেন জানলার সঙ্গে গলায় গামছা জড়িয়ে ঝুলছে শিশুটির দেহ। যদিও তার পা মাটি স্পর্শ করেছিল। ঘরে এসে ছেলেকে ওই অবস্থায় দেখে আঁতকে ওঠেন তিনি। ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে ভয় পেয়ে তিনি প্রতিবেশীদের ডাকেন। এরপর তাকে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে ততক্ষণে অবশ্য শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তবে আদতে ঠিক কী ঘটেছিল তা জানার জন্য ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে পুলিশ। যদিও সেই ব্যাপারে বেঁকে বসেছে মৃতের পরিবার। মৃতের পরিবার ওই শিশুর মৃত শরীরে কাটা ছেঁড়া করতে দিতে রাজি নয়। এই কারণে তারা ময়নাতদন্ত হতে দিতে চাইছেন না। আর তাদের এই বিরোধিতার কারণেই কার্যত মৃতের পরিবারের প্রতি সন্দেহ বাড়ছে পুলিশের।

মৃতের পরিবার কেন ময়না তদন্ত হতে বাধা দিচ্ছে? এই প্রশ্নের জবাব পুলিশের কাছে নেই। যে কারণে এই ঘটনাটি আদেও দুর্ঘটনা নাকি খুন, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারছে না পুলিশ। তবে মৃতের পরিবার যেভাবে ময়নাতদন্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে, তাতে কার্যত ঘটনাটির তদন্ত অন্য দিকে মোড় নিতে পারে বলে অনুমান পুলিশের।