গ’র’ম রসগোল্লার আ’ছে অনেক গুণাগুণ, খাবেন না’কি বেশ কয়েকটি?

রসগোল্লা নরম আর গরম না হলে বাঙালির যেন ঠিক জমে না। জানেন কি ঠান্ডা রসগোল্লার থেকে গরম রসগোল্লার গুনাগুন অনেক বেশি? গরম রসগোল্লার মধ্যে কি কি গুনাগুন থাকে? আজ জেনে নিন এই প্রতিবেদন থেকে।

দাঁত এবং হাড়ের যত্নে রসগোল্লা : রসগোল্লা তৈরি হয় ছানা দিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস। যা দাঁত এবং হাড়ের যত্ন নেয়। অস্টিওপোরেসিস, গাঁটে ব্যথা হাড় এবং দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে পারে রসগোল্লা।

ইউরিনারি সিস্টেমের যত্নে রসগোল্লা : ইউরিনারি সিস্টেম বা রেচনতন্ত্রকে কর্মক্ষম রাখে রসগোল্লা। যার ফলে সহজে কিডনি স্টোন হয় না।

রোগপ্রতিরোধে রসগোল্লা : রসগোল্লা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ায় যার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সর্দি-কাশি অ্যাজমা সারাতে সাহায্য করে।

শিশুদের জন্য রসগোল্লা : শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি জুগিয়ে শারীরিক এবং মানসিক বিকাশে সাহায্য করে গরম রসগোল্লা।

ইনস্ট্যান্ট এনার্জি : রসগোল্লা খুব তাড়াতাড়ি দেহে প্রয়োজনীয় ক্যালরির ঘাটতি মিটিয়ে ইনস্ট্যান্ট এনার্জি জোগায়। সারাদিন খাটাখাটনির পর কিংবা ওয়র্কআউট করে গরম রসগোল্লা খেতেই পারেন।

যন্ত্রণা উপশমে রসগোল্লা : ওমেগা থ্রি ফ্যাটি আসিড এবং ওমেগা সিক্স ফ্যাটি এসিড রয়েছে রসগোল্লার মধ্যে। ভিটামিন কে এবং ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের ঘনত্ব ধরে রাখতে পারে।

দাঁতের ক্যাভিটি : রসগোল্লা ল্যাকটোজে ভরপুর, যা দাঁতকে ক্ষতিকারক সুগারের হাত থেকে রক্ষা করে। রসগোল্লায় উপস্থিত ভিটামিন ডি ক্যাভিটি রোধ করে।

ক্যান্সার : রসগোল্লায় উচ্চমাত্রায় এবং উচ্চ মানের প্রোটিন থাকায় পেট, ব্রেস্ট প্রোস্টেট এবং কোলন ক্যান্সার রুখতে পারে।

হার্ট : ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে হার্টের অসুখ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।