পরেশের তৃণমূলে যোগদানে কি শ’র্ত ছি’লো? গ’ভী’রে পৌঁছানোর চে’ষ্টা করছে CBI

ইতিমধ্যেই সিবি আই দফতরে হাজিরা দিয়েছেন পরেশ অধিকারী, আর তাকে ঘন্টার পর ঘন্টা প্রশ্ন করে সিবি আই, দুর্নীতির গভীরে ঢোকার চেষ্টা করে চলেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিবি আই দফতরে হাজিরা দিয়েছেন তিনি।

সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, প্রথম হাজিরায় তাঁর কাছে গোয়েন্দা জানতে চায়, কি শর্তে তিনি যোগদান করেছেন তৃণমূলে? কার কার সাথে তাঁর কথা হয়েছিল তৃণমূলে যোগদান দেওয়ার আগে।

পরেশ চন্দ্র অধিকারীর সিবি আই দফতরে হাজিরা দেওয়া কিন্তু বলার সাথে সাথেই হয় নি। এর আগে ঘটেছে কয়েকটি নাটকীয় ঘটনা। অনেক কষ্টে তাকে পাকরাও করা গেছে, প্রায় ৩ ঘন্টা জেরার পর গোয়েন্দারা কিছুটা হলেও জানতে পেরেছে।

আরো পড়ুন: ইলন মাস্কের বি’রু’দ্ধে যৌ’ন হে’ন’স্থা’র অভিযোগ, বিমান সেবিকার অভিযোগ ঘি’রে তুলকালাম

কয়েক দফায় দফায় তাকে প্রশ্ন করা হয়। সেখানেই প্রথম দফায় জিজ্ঞেস করা হয় তৃণমূলে যোগদান দেওয়ার আগে তাঁর কার কার সাথে কথা হয়েছিল? কি শর্ত নিয়ে তিনি তৃণমূলে যোগদান করেছেন?

তাঁর তৃণমূলে যোগদান করা নিয়ে কি তাঁর মেয়ের চাকরি পাওয়ার কোনো সংযোগ রয়েছে? এমনকি কোন তৃণমূল নেতা তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেয় সেই সব প্রশ্নও করা হয় তাকে।

যদি পরেশ অধিকারীর জীবনের রাজনৈতিক ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় তাহলে জানা যাবে তিনি ২০১৮ সালে ১৭ আগষ্ট তৃণমূলে যোগদান করেন।

তাঁর ঠিক কিছুদিনের মধ্যেই এস এসসি র এস এল এসটির ওয়েটিং লিস্টে সবার ওপরে নাম উঠে আসে অঙ্কিতা অধিকারির। এমনকি তাঁর কিছুদিনের মধ্যেই নিয়োগ পত্র হাতে পেয়ে চাকরিতে জয়েন্ট পর্যন্ত করে তাঁর মেয়ে।

আরো পড়ুন: অঙ্কিতার চাকরিটা আমারই প্রা’প্য, কিন্তু..! কি বললো ববিতা

তিনি যে দলে যোগদান করেন তাঁর হাতে কিন্তু দলীয় পতাকা তুলে দেয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পরেশ অধিকারির এই অবস্থার ওপরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানায়, তিনি তৃণমূলে যোগদান করেন তিনটি শর্তে।

কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের পার্থী করার দাবি করেন, তাঁর সাথে নিজের মেয়ের চাকরি দিতে হবে সেটাও নিয়ম ভেঙ্গে যেটা পরবর্তিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও মমতা ব্যানার্জীর মধ্যস্ততায় সম্পূর্ণ হয়।