মা দুর্গা কি’ভা’বে আ’গ’ম’ন করছেন মর্তে? ফিরে যাবেনই বা কি’সে? জানুন কি হ’তে পা’রে ফলাফল

গত বছর থেকে মহামারীর মধ্যেও আমাদের দুর্গা পুজোর আনন্দ নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিতে হচ্ছে। আগের মতো আনন্দ না হলেও দূর্গা পূজার মধ্যে যে আলাদা আমেজ আছে তা কিন্তু ঠিক খুঁজে বার করে দিতে পারে বাঙালি। তাই একশো দিন হতে না হতেই এবার দিন গুনতে শুরু করে দিয়েছে বাঙালি। বাঙালি সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপূজা বাঙালীদের যে একটু আদ্দু ভালোবাসা থাকবে তা বলাই বাহুল্য। তবে গত বছরের থেকে এ বছর আরো বেশি সাবধান হয়ে থাকতেই হবে কারণ এবার আসতে চলেছে তৃতীয় ঢেউ।

তবে দূর্গাপূজা শুধুমাত্র বাঙালির কাছে একটি উৎসব নয়, বাঙ্গালীদের ঐতিহ্য আবেগ সংস্কৃতি সবকিছুই মিলিয়ে মিশিয়ে এক হয়ে গেছে এই দূর্গা পূজার সাথে। একাধারে হাজার হাজার মানুষের জীবিকা জড়িয়ে রয়েছে এই পূজার সঙ্গে। শুধুমাত্র দুর্গা পূজাকে কেন্দ্র করে বহু মানুষ এমনও রয়েছে যারা সারা বছরের উপার্জন করে ফেলতে পারেন। তাই গত বছরের এই সমস্ত মানুষের জীবিকার ওপর ভীষণ ভাবে আঘাত হেনেছে মহামারী।

প্রতিবছর আশ্বিন মাসের সপ্তমী তিথিতে আমাদের মা দুর্গা আমাদের কাছে আসেন। আবার পাঁচ দিন আমাদের কাছে থেকে তিনি চলে যান তার শ্বশুরবাড়িতে। এই আসা-যাওয়ার জন্য তিনি ব্যবহার করেন কখনো হাতিকে, কখনো আবার ঘোড়াকে কখনো বা নৌকা বেছে নেন তিনি। এই আসা-যাওয়ার নির্বাচিত যানের উপর নির্ভর করে মর্তের ভবিষ্যৎ এবং আপনার এবং আমার মত মানুষের ভবিষ্যৎ।

শাস্ত্র বিশেষজ্ঞ মত অনুযায়ী একই যানে যদি তিনি যাতায়াত করেন, তাহলে আগামী বছরে খারাপ প্রভাব পড়তে পারে এই মর্ত্যে। যেমন গত বছর মায়ের আসা-যাওয়া দুটোই হয়েছিল ঘোড়ায়। ফলাফল আমাদের সকলেরই জানা। তবে চলতি বছরে মায়ের আগমন হতে চলেছে দোলায়। পঞ্জিকা অনুসারে, দোলাতে মায়ের আগমন হলে ধরাধামে মড়ক লাগতে পারে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আতংকে দিন গুনছেন সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী মানুষ।

দুর্গাপূজা নিয়ে আনন্দের পাশাপাশি এই কথা আরো একবার আমাদের মনে ভয় ঢুকিয়ে দিল। চলতি বছরে সপ্তমীর দিন দোলায় চড়ে আগমন হচছে মায়ের। এমন ঘটনা করলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা যুদ্ধের কারণে প্রবল প্রাণহানির আশঙ্কা থেকেই যায়। অন্যদিকে মা এবারে ফিরে যাবেন নৌকায় চড়ে। নৌকায় চড়ে যদি মায়ের গমন হয় তাহলে, সেটি বন্যার ইঙ্গিত দেয়। সব মিলিয়ে চলতি বছরের দূর্গা পূজা কে কেন্দ্র করে বাঙালির মনে নতুন করে আরেকবার আশঙ্কা দানা বাঁধছে।