হটাৎ অ’সু’স্থ হয়ে পড়লেন মিমি চক্রবর্তী! পেট ব্যা’থা’য় কা’বু তারকা সাংসদ

হঠাৎ করেই বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সাংসদ এবং অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। হঠাৎ করে প্রেসার একেবারে কমে গিয়ে হয়েছে পেটে ব্যথা। ভোর চারটে নাগাদ এতটাই তিনি অসুস্থ বোধ করেন যে, তার পরিচারিকা অভিনেত্রীর সহায়ককে ফোন করে রাখতে বাধ্য হন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে ডিহাইড্রেশন হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অভিনেত্রী। বেশ কিছুদিন ধরে গলব্লাডার এবং লিভার জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। কিছুদিন আগে কোভিসিলডের ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন তিনি।

যদিও সেই ভ্যাকসিন পুরোপুরি ভুয়ো ছিল। ভ্যাকসিনের নামে জল মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মিমির বাড়িতে ডাক্তার এসে পরীক্ষা করে জানিয়েছেন, ভ্যাকসিন থেকেও বিষয়টি হতে পারে আবার নাও হতে পারে। প্যানিক অথবা টেনশনের কারণে অসুস্থ বোধ করতে পারেন অভিনেত্রী। আপাতত দিনের সমস্ত কাজের সিডিউল বাতিল করে দিয়েছেন অভিনেত্রী। বাড়িতে বিশ্রাম করছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, কলকাতা পুলিশের ফরেনসিক বিভাগ এবং কলকাতা পৌরসভা, দু তরফ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, টিকাকরণ কেন্দ্রে করোনার আসল ভ্যাকসিন দেওয়া হয়নি। টিকাকরণ ভ্যাকসিনের ভায়ালি মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ, ব্যাচ নম্বর কোনটাই উল্লেখ নেই। এমনকি প্রস্তুতকারী সংস্থার নাম লেখা নেই। ভ্যাকসিনের গায়ে শুধু কবি রিকমবিনেন্ট। যার আসলে কোন অস্তিত্ব নেই।

বৃহস্পতিবার দেবাঞ্জন বাবুর সঙ্গে তার অফিসে গেলে সেখান থেকে ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়। ইনজেকশনগুলো মূলত ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। মিমি চক্রবর্তী কেও সেখান থেকেই টিকা দেওয়া হয়েছিল। হাড় হিম করা একের পর এক তথ্য সামনে উঠে আসার পর যাদবপুরের সংসদ বলেন, অযথা দুশ্চিন্তা করে কোন লাভ নেই। শরীরে যা প্রবেশ করার ইতিমধ্যেই প্রবেশ করে গেছে। চিকিৎসকের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। আমার কাছে যা খবর এসেছে, এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক যা মূত্রসংক্রমণ অথবা পেটে ব্যথার জন্য দেওয়া হয়।

অ্যান্টিবায়োটিক যেহেতু জলে মিশে গিয়েছে তাই এর প্রভাব নাও হতে পারে শরীরে। তবে আগামীকাল আমি রক্ত পরীক্ষা করাবো। যেহেতু আমার লিভার সমস্যা আছে তাই আমাকে কিছু চিন্তাই আছে যাতে লিভারে কোন প্রভাব না পড়ে। ব্লাড টেস্ট এবং লিভার টেস্ট করাব যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। যারা ঐ ক্যাম্প থেকে ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাদের প্রত্যেককে জানাবো, যত তাড়াতাড়ি পারেন নিজের চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সুস্থ থাকুন এবং বাড়িতে থাকুন।