নিজস্ব হেলিকপ্টার কি’ন’তে চা’ন! জানুন দা’ম ও কিনবেন যে’ভা’বে

জীবনে প্রত্যেকটা মানুষেরই স্বপ্ন থাকে। অনেকেই সেই স্বপ্ন সাধ্যের মধ্যে দেখে, কেউ আবার সাধ্যের বাইরে, কারণ স্বপ্ন দেখতে তো দোষ নেই এবং স্বপ্ন দেখতে ও কোন রকম টাকা লাগেনা। তবে যাদের ক্ষমতা আছে তাদের জীবনের সমস্ত স্বপ্নগুলো পূরণ করার সক্ষমতা রয়েছে। প্রত্যেকের ইচ্ছে করে নিজের বড়ো বাড়ি, গাড়ি আরো অনেক কিছু হবে তবে এদের মধ্যেই কিছু মানুষের ইচ্ছে থাকে যে, দামি বাইক এবং গাড়ি যেমন থাকবে তেমনি তাদের একটা নিজস্ব হেলিকপ্টার থাকবে, যেটা আকাশ পথে তাদের ঘোরাতে সাহায্য করবে ।

এই হেলিকপ্টার বা প্লেন কেনার ব্যাপারটা ছোট বয়সে অনেকেই আমরা ভেবে থাকি, কিন্তু তখন বুঝতে পারি না এগুলো আসলে কতটা রাজকীয় ব্যাপার। তবে রাজকীয় লোকের সংখ্যাও কম নয় যারা এই স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পারবে। ইচ্ছে থাকতে পারে রাস্তায় ট্রাফিকের সমস্যার মধ্যে না পড়ে নিজস্ব একটা হেলিকপ্টার এর মাধ্যমে আকাশপথে দিয়ে বাড়ি কিংবা অফিসের ছাদে রেখে সেখানেই নামবে।

ব্যাপারটি অনেকেরই অবাস্তব এবং হাস্যকর মনে হলে আদৌ কিন্তু এটা নয়, এর আগে অনেকবারই দেখা গেছে অনেকেই নিজস্ব হেলিকপ্টার কিনে নিজের বাড়ির উপরেই রেখে দিয়েছেন। এইবার আপনি শুধুমাত্র হেলিকপ্টার নয়, কিনতে পারবেন এরো প্লেন। যদিও সেটা প্রচুর অঙ্কের টাকার ব্যাপার। যদিও হেলিকপ্টার এর থেকে বেশি দাম। হেলিকপ্টার সম্পর্কে অনেকের নানান রকমের ভুল ভাবনা রয়েছে, অনেকের মনে হয় এবং প্রশ্ন আসে এটি কত লিটারে কত কিলোমিটার যেতে পারবে।

সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে এই প্রতিবেদনটিতে। হেলিকপ্টারের ক্ষেত্রে একটা সুবিধা হল এটা যেমন খাড়াভাবে উঠতেও পারে তেমনি নামতেও পারে, নামা এবং ওঠার ক্ষেত্রে রানওয়ের কোন প্রয়োজন পড়ে না। হেলিকপ্টারের যে পাখা গুলি রয়েছে সেগুলি উপরে ওঠার ক্ষমতা সংগ্রহ করে উড়তে পারে।

একেকটি কপ্টার ঘন্টায় যেতে এক এক রকম পরিমাণ জ্বালানির দরকার হয়। তাই প্রায় ১ কিমি যেতে একটি কপ্টারে জ্বালানি হিসেবে লাগে প্রায় ৮০০ বা তার বেশি লিটার। ১৯৪২ সালে ইউনেস্কোর তৈরি করেন হেলিকপ্টারের নকশা এবং তার পরেই তা বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা শুরু হয়।