মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রে’জা’ল্টে’র দিনক্ষণ ঘো’ষ’ণা ক’র’লো রাজ্য

গতবছরের থেকে করোনা পরিস্থিতির জন্য শিক্ষাব্যবস্থা একদমই দুমড়ে-মুচড়ে গেছে, যদিও গত বছরের শেষের দিকে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া গেলেও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল চলতি বছরে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়ার, কিন্তু মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হওয়ার আগের মুহূর্তে করোনা পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়ে গেল যে সিবিএসসি দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিল করা হল এবং তার পরপরই রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল করে দেওয়ার।

প্রথমদিকে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ এবং জনমতের মতামতের ওপর ভিত্তি করে পরীক্ষা বাতিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার, এখানে যেহেতু প্রায় ২২ থেকে ২৩ লক্ষ পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ জড়িয়ে রয়েছে, সেই জন্যেই পরে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কিন্তু, পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে সেই সিদ্ধান্তও বাতিল করে দেওয়া হয়।

তারপর এই প্রশ্ন উঠেছিল যে, কিভাবে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে? কিভাবে এত লক্ষ লক্ষ ছাত্র ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নির্বাচিত করা হবে? পরবর্তীকালে জানানো হয়েছে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করানোর নিয়ম। এর পরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন জুলাই মাসেই মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল ঘোষণা হবে।

রাজ্য শিক্ষা দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে, কিভাবে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার মূল্যায়ন করা হবে। মাধ্যমিক পরীক্ষার মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নবম এবং দশম শ্রেণী থেকে ৫০% নাম্বার নিয়ে মূল্যায়ন হবে। নবম শ্রেণীর পড়ুয়াদের নাম্বার স্কুলের কাছে থাকে, কিন্তু দশম শ্রেণীর ইন্টার্নেশনাল মার্কস থাকে বোর্ডের কাছে এবং এইভাবে বোর্ড এগোতে চায়।

উচ্চমাধ্যমিকের ক্ষেত্রে একাদশ শ্রেণীর লিখিত পরীক্ষা, সেখান থেকে নেওয়া হবে ৬০ শতাংশ এবং বাকি ৪০শতাংশ নেওয়া হবে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে। একদিকে যেমন জানানো হয়েছে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার মূল্যায়ন কিভাবে করা হবে তেমনি ইতিমধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের ফল কবে প্রকাশিত হবে।

মাধ্যমিকের ফল ঘোষিত হবে ২০ জুলাই এবং উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হবে জুলাই মাসের শেষের দিকে। পর্ষদ এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, পরবর্তী পদক্ষেপে যেন কোন রকম সমস্যায় না পড়তে হয় ছাত্র-ছাত্রীদের সেদিকেও নজর রাখবেন তারা। পর্ষদের তরফ থেকে শনিবার জানানো হয়েছে যে, ছাত্র ছাত্রীদের ক্ষেত্রে যেন নাম্বার গোলমাল না হয় । আগামী ২১শে জুনের মধ্যে পর্ষদের ওয়েবসাইট সমস্ত নম্বরগুলি জমা করতে হবে স্কুলগুলিকে।