তৃণমূলে যে’তে রা’জি সৌমিত্র খাঁ! তবে রেখেছেন শ’র্ত, জানুন কি বললো বিজেপি নেতা

বিজেপির যুব সভাপতি সৌমিত্র খাঁ একসময় ছিলেন তৃণমূলের ডাকসাইটে নেতা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর উত্থান এরপর তার প্রাপ্ত পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সেই ক্ষোভ এখনো বুকে রেখে দিয়েছেন বিজেপির যুব সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। বিজেপির ফলাফল ২১ এর বিধানসভা ভোটে ভালো না হওয়ায় সম্প্রতি তার গতিবিধি বিশেষ ভাল ছিলনা। দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বৈঠক এড়িয়ে মুকুল রায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ, এই সমস্ত আরো একবার একটি কথা কে উসকে দিচ্ছিল যে, তাহলে কি গেরুয়া শিবির ছেড়ে ঘাসফুলের দিকে পা বাড়াচ্ছেন সৌমিত্র খাঁ?

কিন্তু সেই সমস্ত গুঞ্জন সরাসরি উড়িয়ে দিয়ে সৌমিত্র খাঁ বললেন যে, যেদিন অভিষেক আসবে বিজেপিতে সেই দিন আমি তৃণমূলে যাব। ভোটের ফল প্রকাশের পর একাধিক ইস্যুতে মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপির কার্যালয়ে হেস্টিংস অফিসে সাংগঠনিক বৈঠকে বসেছিলেন গেরুয়া শিবিরের কর্মকর্তারা। যার মধ্যে রাজনৈতিক অশান্তিতে ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরা না থেকে শুরু করে ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাস সবকিছুই ছিল। তার মধ্যেই যখন সৌমিত্র খাঁ কে দলবদলে জল্পনা নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন তখন তিনি বলেন, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেইদিন বিজেপিতে যোগ দেবেন, সেদিন আমি তৃণমূলে যোগদান করব। কার্যত এই তুলনাকে টেনে এনে তিনি বুঝিয়েছেন যে তার তৃণমূলে যোগদান করা একেবারেই অসম্ভব।

এদিন হেস্টিংয়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রবীর ঘোষাল। স্বাভাবিকভাবেই এই নিয়ে আরো নতুন করে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে মুকুল রায় বৈঠকের সরাসরি উপস্থিত না থাকলেও তিনি ভার্চুয়ালি ভাবে যোগদান করেছিলেন বৈঠকে।