তোর ফাঁ’সি হো’ক! ছেলে ফে’ক সিবিআই অ’ফি’সা’র জানতে পে’রে’ই শুভদীপের মায়ের প্রতিক্রিয়া

দেবাঞ্জনের ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই রাজ্যে একের পর এক জাল আধিকারিক ধরা পড়ছে। নিজেদের প্রভাবশালী হিসেবে পরিচয় দিয়ে এদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার অভিযোগ উঠছে। হাওড়ার জগাছার বাসিন্দা শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগের সিবিআই আধিকারিক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কখনও সেনা অফিসার, কখনো IRS আধিকারিক, তো আবার কখনও সিবিআই আধিকারিক হিসেবে নিজের পরিচয় জাহির করতেন শুভদীপ।

নীল বাতি লাগানো গাড়িতে চড়ে যাতায়াত করতেন ধৃত ওই যুবক। তার বিরুদ্ধে বহু মানুষকে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। জগাছা থানার পুলিশ ও হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দাদের একটি বিশেষ দল শুভদীপকে গ্রেপ্তার করেছেন। মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে দিল্লীর একটি পাঁচতারা হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাকে। CBI-র স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর হিসাবে পরিচয় দিয়ে বহু মানুষকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন শুভদীপ।

সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের বিভিন্ন নথিতে সই করে সিলও দিয়েছে সে। শুভদীপ এর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে নেমে যে তথ্য উঠে আসছে তা দেখে অবাক হয়ে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকেরা। এদিকে শুভদীপের কীর্তিকলাপের কথা কিছুই জানতেন না তার মা-বাবা। ছেলের কুকীর্তির খবর শোনার পর থেকেই হতভম্ব হয়ে গিয়েছেন তিনি। ছেলের ফোন ধরে ফোনের এ প্রান্ত থেকেই ছেলের মৃত্যু কামনা করলেন তিনি। তিনি চাইছেন, তার ছেলের যেন ফাঁসি হয়।

শুভদীপের মায়ের বক্তব্য, তার ছেলে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে যে তিনি আর কাউকে কখনো মুখ দেখাতে পারবেন না। ছেলের ক্যারিয়ার বরবাদ হয়ে গিয়েছে। তিনি সর্বদা তার ছেলেকে সৎ ভাবে বাঁচতে শিখিয়েছেন। তার পরেও ছেলে কিভাবে এমন কান্ড ঘটালো তা ভেবে পাচ্ছেন না শুভদীপের মা। তিনি তার ছেলেকে সারেন্ডার করতে বলেন। একই সঙ্গে এই গর্হিত অপরাধের জন্য ছেলের ফাঁসি চেয়েছেন তিনি।