এবার কলকাতার বাজারেও হবে টি’কা’ক’র’ণ! চালু হচ্ছে “ভ্যা’ক’সি’ন অন হুইল”

ইতিমধ্যে সংক্রমণ কিছুটা হলেও নিন্মগামী হয়েছে। তবে তার মধ্যে তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার জন্য প্রহর গুনছে সাধারণ মানুষ। তৃতীয় ঢেউ আসার আগেই কলকাতা শহরের সমস্ত বাসিন্দাদের যাতে টিকাকরণ হয়ে যায় তার দিকে নজর দিচ্ছে কলকাতা পৌরসভা। সেই লক্ষ্যে তারা এবার এনেছে নতুন একটি পরিষেবা যার নাম, ভ্যাকসিন অন হইল।

আগামী পরশু থেকে শুরু হচ্ছে এই পরিষেবা। চলুন জেনে নিই, কি থাকছে এই পরিষেবাতে। কলকাতা বাসীকে টিকা করন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করছে পৌরসভা। বহু ক্ষেত্রে হকার অথবা ব্যবসায়ীরা টিকাকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারছেন না। তারা বলছেন যে ব্যবসা ছেড়ে কিভাবে যাব? অথচ তাদের টিকা করন প্রক্রিয়া করানোর প্রয়োজন।

দিনরাত কর্মসূত্রে বহু মানুষের সংস্পর্শে আসেন যে সমস্ত মানুষ তাদের কাছে এবার পৌঁছে দেওয়া হবে ভ্যাকসিন। আগামী পরশু পোস্তাবাজার অঞ্চলে একটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত বাস পৌঁছে যাবে। সেখানে প্রত্যেকদিন ১০ জন ব্যবসায়ী, হকার অথবা দোকানদাররা টিকা নিতে পারবেন। সেখানে নিয়ম মেনে আধ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে। কেউ যদি টিকা নেওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন তাহলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে ভর্তি করিয়ে দেবেন সেখানে উপস্থিত চিকিৎসকেরা।

এই পরিষেবা পাওয়ার জন্য আগে থেকে নাম নথিভুক্ত করার কোন প্রয়োজন নেই। মঙ্গলবার কলকাতা পৌরসভার কোভিদ সংক্রান্ত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পুর এবং পরিবহন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পুরসভা সূত্রে খবর, আপাতত একটি অক্সিজেন হুইল চালু করা হচ্ছে। এই পরিষেবা তে কতটা সুবিধা হচ্ছে দেখে তারা সংখ্যায় বাড়ানো হবে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে করোনা তে। শেষকৃত্যের জন্য ৮ টি বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু করার প্রস্তাব দিয়েছিল কলকাতা পৌরসভা।

এই প্রসঙ্গে পুরমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, এই প্রস্তাব পাস হয়েছে। তারা তলার কাছে ভাট চলা এলাকায় ৬ টি চুল্লি তৈরি করা হচ্ছে। শুধুমাত্র করোনাতে আক্রান্ত মৃতদেহ দাহ করা হবে এখানে। ধাপার পাশে জলাভূমিতে তৈরি করা হবে সমাধিস্থল।