ভো’ট প’র’ব’র্তী হিং’সা’র বেশি অ’ভি’যো’গ কোচবিহারে, ৬০ শতাংশ ক্ষে’ত্রে FIR দা’য়ে’র করেনি পুলিশ

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। এবার ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটি। ‘আইনের শাসন’ নয়, পশ্চিমবঙ্গে ‘শাসকের আইন’ চলেছে, বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন ও বিভিন্ন সূত্র থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার তথ্য সংগ্রহ করে তা ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ওই প্রতিবেদন মারফত জানা গেছে ভোট পরবর্তী সময়ে হিংসার জেলা-ওয়ারি হিসাব বলছে কোচবিহার জেলাতে সবথেকে বেশি হিংসার অভিযোগ এসেছে। বীরভূম রয়েছে তার পরেই। সবথেকে কম অভিযোগ এসেছে দার্জিলিং জেলা থেকে। সেখানে মাত্র ১টি অভিযোগ রয়েছে। কোচবিহার (৩২২), বীরভূম (৩১৪), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (২০৩), উত্তর ২৪ পরগনা (১৯৬), কলকাতা (১৭২) এবং পূর্ব বর্ধমান (১১৩) জেলায় সবথেকে বেশি অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া বসিরহাট পুলিশ জেলা, ব্যারাকপুর পুলিশ জেলা এবং ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলাতেও ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। প্রশাসনিক জেলাগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ রয়েছে বারুইপুর পুলিশ জেলাতে। অবশ্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটি জানিয়েছে এই রিপোর্ট সম্পূর্ণ নয়। ক্ষমতাসীন দলের গুন্ডাদের পাশাপাশি পুলিশ-প্রশাসনকও ভয় পাচ্ছে সাধারণ মানুষ, যে কারণে তারা অভিযোগ করতে পারেননি।

বাংলার মোট ৩১১টি হিংসার অভিযোগ সশরীরে গিয়ে খতিয়ে দেখেছেন তদন্ত কমিটির সদস্যরা। এরমধ্যে শুধু ১৮৮টি এফআইআর করা হয়েছে। তারমধ্যে ৩৩টি, অর্থাৎ মোট অভিযোগের ২৭ শতাংশ ক্ষেত্রে অপরাধের মাত্রা কমিয়ে দেখিয়েছে পুলিশ, এমন অভিযোগ উঠেছে। সময়াভাবে ২৮৬৯টি অভিযোগ দায়ের করা যায়নি বলেও জানানো হয়েছে!