বিরোধীদের তুমুল সমালোচনা, চাপে পড়ে হাথরাস গণধ’র্ষণ কাণ্ডে CBI তদন্তের নির্দেশ যোগীর

বড় সিদ্ধান্ত নিল যোগী সরকার। দেশ এখন যেভাবে ক্ষুব্ধ হাতরস গণধর্ষন কান্ড নিয়ে, সেই হিসেবেই অনেকটাই চাপে যোগী সরকার। অনেক জায়গায় ইতিমধ্যে তার ইস্তফা নিয়েও কথা উঠেছে, রাস্তায় রাস্তায় মিছিল, পোড়ানো হচ্ছে যোগীর কুশ পুতুল। শুক্রবার ইন্ডিয়া গেট যন্তর মন্তরের সামনে সবাই একজোট হয়, সেখানে উপস্থিত ছিল কেজরিওয়াল থেকে শুরু করে, সীতারাম ইয়েচুরি ও আরও নেতারা। তারা সেখান বলেছে ধর্ষকদের ফাঁসি ছাড়া আর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।

এই সবের কারণেও আরও চাপে। চাপ সামলানোর চেষ্টা করে চলেছে যোগী সরকার কিন্তু কাজের কাজ হচ্ছে না। এদিকে পুলিশ সুপার ও দুই পুলিশ কর্মীকে ইতিমধ্যে সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাও কমছে না জনরোষ। এবার সেই কারণেই অনেকেই বলছে অনেকটাই চাপে পরে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিল যোগী সরকার। এবার হাথরস গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনার কারণে শেষমেশ সি বি আই তদন্তের নির্দেশ দিল উত্তরপ্রদেশ সরকার।

সিদ্ধান্ত চাপে পরে হলেও যে এই সময়ে এই ধরনের সিদ্ধান্তই দরকার ছিল সেটা অনেকেই মনে করছে। দেশের নারীরা এই মুহূর্তে কোনোভাবেই সুরক্ষিত নয়, স্যোশাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে, সবাই যার যার মতো নিজের মনের ক্ষোভ প্রকাশ করে চলেছে। কিন্তু কোনো সমাধান এখনও পাওয়া যায় নি। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত যোগী সরকারের অনেকটাই কার্যকরী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।