প্রপোজ করতেই “হ্যাঁ”, উচ্ছাসে পা পিছলে পড়ে গেলো পাহাড় থেকে, ৬৫০ মিটার নীচে উদ্ধার হলো প্রেমিকা

ঘরভর্তি বেলুন, সামনে জ্বলছে ক্যান্ডেল, তারই মধ্যে হাঁটু গেড়ে বসে আপনাকে প্রপোজ করছেন আপনার প্রিয় ব্যাক্তি। হ্যাঁ এমন একটি স্বপ্ন সকলেরই থাকে। কারো স্বপ্ন পূরণ হয় কারো হয় না। তবে এই রকম একটি সুন্দর মুহূর্তে যদি ঘটে যায় বিপদ, তাকে খুব কাঙ্খিত হবে? একদমই হবে না, তাই না।

এমনই একটি গল্পের মত বাস্তব ঘটেছে অস্ট্রিয়ার এক দেশে। প্রেমিক-প্রেমিকা দুজনেই সেখানকার বাসিন্দা। নববর্ষের সূচনাতে প্রেমিকা কে নিজের করে পেতে সব ব্যবস্থা করে রেখেছিলেন প্রেমিক।প্রেমিকা কে নিয়ে গিয়েছিলেন পাহাড়ের নির্জন এলাকাতে। মনোরম দৃশ্য দেখার মাঝখানে হঠাৎ করেই প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন প্রেমিক। এমন একটি দৃশ্য সকলেরই একটি প্রিয় দৃশ্যের মধ্যে পড়ে।

তবে যখনই প্রেমিকার আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে প্রেমিকের ডাকে সাড়া দিয়ে চিৎকার করে বলে হ্যাঁ। ঠিক সেই মুহুর্তে ঘটে যায় একটি বিপদ। বিপদজনক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকার ফলে হঠাৎ করে পা পিছলে যায় তার। প্রায় 650 মিটার নিচে পড়ে যায় সে।এমন একটি দৃশ্যের জন্য একেবারেই প্রস্তুত ছিলেন না প্রেমিক। কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে সে।অবশেষে নিরুপায় হয়ে প্রেমিকাকে বাঁচানোর জন্য সেও ঝাঁপ মেরে দেয় পাহাড় থেকে।

তবে এখানে কিন্তু গল্পের শেষ নয়। পা পিছলে পড়ে গেলেও করুন নিয়তি কিন্তু হয়নি ওই মহিলার। বরং সে গিয়ে পড়ে বরফের কার্পেটে। কোনরকম আঘাত ছাড়া বেঁচে যায় সে। অন্যদিকে প্রেমিকাকে বাঁচাতে গিয়ে ঝাঁপ মারলেও 50 ফুট উঁচুতে আটকে যায় প্রেমিক।

তাদের উদ্ধারকারী পুলিশরা জানিয়েছেন যে, দুজনেই অত্যন্ত ভাগ্যবান। তুষারপাতে না হলে মহিলার বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনা থাকত না। প্রিয় তমা কে বাঁচাতে গিয়ে যে প্রেমিক পাহাড়ের উপর থেকে ঝাপ মারে, তাকে উদ্ধার করার জন্য হেলিকপ্টার পাঠায় পুলিশ।হাত এবং পা ভেঙে যাবার সম্ভাবনা থাকলেও আপাতত সুস্থ আছে সে।