বাংলার মাটিতে বসছে বিশ্বের বৃহত্তম সৌরগাছ প্যানেল

দূর্গাপুরের সিএসআইআর এর আবাসিক কলোনিতে শীঘ্রই সৌর গাছ স্থাপিত হতে চলেছে। যে সৌর গাছ সূর্যালোক থেকে আলোক সংগ্রহ করে তাকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করবে। বিদ্যুত সাশ্রয়ের পাশাপাশি এই সৌর গাছ পরিবেশ দূষণ রোধ করে দুর্গাপুর গ্রীন সিটিতে রূপান্তরিত করবে। ইতিমধ্যেই, কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের সৌর গাছ স্থাপন করা হয়েছে। তবে, দুর্গাপুর শহরে এই প্রথম এই ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়িত করা হতে চলেছে।

বিদ্যুতের অত্যধিক বিল কমাতে এবং চিরাচরিত শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বহুদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সোলার প্যানেল ব্যবহার করা হচ্ছে। পরিবেশ দূষণ রোধে বিশেষ করে বায়ু দূষণ রুখে শক্তি উৎপাদন করার ক্ষেত্রে সৌরশক্তিই হল বিদ্যুতের প্রধান উৎস এই সৌর গাছের নকশা বানিয়েছে “সেন্ট্রাল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ইন্সস্টিটিউট”, যা কেন্দ্রের অনুমোদনও পেয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর, এই সংস্থার সাথে “কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ” সংস্থা মিলিতভাবে যৌথ উদ্যোগে দুর্গাপুর শহরে, পৃথিবীর সবথেকে বড় এবং উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সৌর গাছ প্রতিষ্ঠা করতে চলেছে। এই গাছের সাথে অসংখ্য সৌর প্যানেল থাকবে। প্রত্যেক প্যানেল থেকে ১১. ৫ কিলোবাইট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। বছরে প্রায় ১২,০০০ থেকে ১৪,০০০ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে।

পরিবেশ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন,সৌর প্যানেল সৌর গাছের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে বিদ্যুৎ খরচের পাশাপাশি, বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ কমানো যায়। এই গাছটি স্থাপিত হলে, বছরে প্রায় ১০-১২ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস নির্গমন কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করছেন পরিবেশবিদরা। প্রতিটি সৌর গাছ স্থাপন করতে সরকারের ৭.৫ লক্ষ টাকা খরচ হবে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যেই এলাকায় সৌর গাছ স্থাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।