দেশের মানুষের সু’রক্ষা, শি’ক্ষা, চি’কিৎ’সা, সব ক্ষে’ত্রে মহি’লারা পাবে স’মা’ন অধি’কারঃ তালি’বান মুখ’পাত্র

দেশের মানুষের সু'রক্ষা, শি'ক্ষা, চি'কিৎ'সা, সব ক্ষে'ত্রে মহি'লারা পাবে স'মা'ন অধি'কারঃ তালি'বান মুখ'পাত্র

সম্পূর্ণ আফগানিস্তান দখল করে নিয়েছে তালিবানরা। তালিবানদের নিয়ে চিন্তিত আন্তর্জাতিক মহল। আসলে পুরনো দিনের তালিবানি শাসন ভুলতে পারছেন না কেউই। কাবুল দখল করে নেওয়ার পর থেকেই জিমে শরীরচর্চা থেকে শিশুদের দোলনা বা বিনোদন পার্কে গিয়ে হইহুল্লোড়, কোনো কিছুই বাদ রাখছেনা তালিবানরা। তাদের দাবি, এতদিনে স্বাধীনতা এসেছে। ২০ বছর পর এসেছে স্বাধীনতা। তা নিয়ে দেশের গর্ব করা উচিত বলে বার্তা দিয়েছে তালিবানরা।

তালিবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লা মুজাহিদ মঙ্গলবার জানিয়েছেন, তাদের সঙ্গে পুরনো দিনে যা কিছু অত্যাচার হয়েছে, তারা তা ভুলে গিয়েছেন। তিনি আশ্বস্ত করে বলেছেন, দেশের প্রত্যেকটি বাসিন্দা এবং দূতাবাসের সুরক্ষার দায়িত্ব তালিবানদের কাঁধে। তালিবানের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে বিদেশী শক্তিকে হটিয়ে স্বাধীনতা এনেছে তালিবানরা। আফগানিস্তান আর যুদ্ধ চায় না। বাইরে ভিতরে কোনো শত্রু রাখতে চায় না।

তালিবানরা আশ্বস্ত করে বলেছে, দেশের মানুষের সুরক্ষা নিয়ে কারোকে কোনো চিন্তা করতে হবে না। মহিলাদের সুরক্ষা এবং অধিকারও খর্ব করা হবে না। শিক্ষা, চিকিৎসা, সব ক্ষেত্রে মহিলারা পুরুষের সমান কাজ করতে পারবেন। তবে সবটাই হবে শরিয়ত আইন মেনে। মেয়েদের তারা বোনের নজরে দেখবে। বোনের মত করে তাদের আগলে রাখবে। দেশ যাতে আর্থিকভাবে উন্নত হয়, তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

একইসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকেও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে তালিবানরা। তালিবানের মান্যতা ও ইসলামের মান্যতার বিষয়টি যাতে সংবাদমাধ্যম দ্বারা উপেক্ষিত না হয় সেই বিষয়েও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তালিবানের মুখপাত্র। শক্তিশালী ইসলামিক তৈরি সরকার আফগানিস্তান শাসন করবে বলে জানিয়েছেন তালিবানের মুখপাত্র।