তৃণমূলে কি ফি’র’তে পারবেন? অ’পে’ক্ষা ক’রে চলেছেন সোনালী গুহ

একুশের নির্বাচনের আগে তৃণমূল দল ত্যাগ করে বিরোধী শিবিরের দিকে পা বাড়িয়েছিলেন যে দল বদলুরা, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মমতা ঘনিষ্ঠ সোনালী গুহ। তবে নির্বাচনী ফল প্রকাশের পরেই তিনি আবার পুরনো দলে ফিরতে চেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন জানান। নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়ে তৃণমূল দলের নেত্রীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে আবার দলে ফিরে আসতে চেয়েছিলেন সোনালী। তবে আজ পর্যন্ত তার কোনো জবাব তিনি পাননি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে ফেসবুকে তৃণমূল সুপ্রিমোকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠি লিখেছিলেন সোনালী গুহ। আশা ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার তাকে দলে টেনে নেবেন। তবে তৃণমূল শিবির এর তরফ থেকে এ পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তের কথা সোনালীকে জানানো হয়নি। দলে ফেরার জন্য তাই অপেক্ষায় দিন গুনছেন সোনালী। অথচ তৃণমূল শিবির এই বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে। কাজেই এই পরিস্থিতিতে তার আবার দলে ফিরে আসাটা কার্যত অনিশ্চিত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সোনালী গুহ জানাচ্ছেন যে এই মুহূর্তে তার কাছে অপেক্ষা করে থাকা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তিনি তৃণমূল শিবিরের উপর ভরসা রেখে অপেক্ষা করে বসে আছেন। করোনার কারণে আপাতত ঘর বন্দি দশায় জীবন কাটছে তার। তবে তিনি জানাচ্ছেন খোদ তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল দলে ফেরা প্রসঙ্গে। তৃণমূল নেতৃত্বর তরফ থেকে ইতিবাচক ভাবভঙ্গিও পেয়েছিলেন তিনি। তবে এখনো পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত তাকে জানানো হয়নি। অতএব অপেক্ষা করা ছাড়া সোনালীর আর গতি নেই।

প্রসঙ্গত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে একুশের বিধানসভা নির্বাচনী মরসুমে যারা দল ত্যাগ করে বিরোধী বিজেপি শিবিরের দিকে পা বাড়িয়েছিলেন, দল তাদের আর ফেরত নেবে না। ফলে স্বভাবতই সোনালী গ্রহের মতো একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যারা আবার তৃণমূল শিবিরে ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছিলেন, তারা হতাশ হয়ে পড়বেন। এটাই স্বাভাবিক। তবে সোনালী আপাতত মুখ্যমন্ত্রীর উপর নির্ভর করে আছেন।