কেনো আমার একা হবে, ক’রো’না আ’ক্রা’ন্ত শাশুড়ি জড়িয়ে ধরলেন বৌমাকে, এরপর যা হলো

দীর্ঘ প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে মানুষ। এই কঠিন পরিস্থিতিতে করোনা এড়িয়ে চলাটাই মুশকিল। করোনার সংস্পর্শ এড়াতে মানুষ কত কিছুই না করছেন। পরিবারের কারোর যদি করোনা হয়, তাহলে বাকি সদস্যদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে তার নিজেরই স্বেচ্ছা নির্বাসন নেওয়া উচিত! তবে নিম্নরুচির মানসিকতা তেমনটা আর হতে দিচ্ছে কই?

“আমার করোনা হয়েছে, আমাকে পরিবারের সকলের থেকে আলাদা হয়ে থাকতে হচ্ছে, তাহলে বৌমার হবে না কেন?” ঠিক এই মানসিকতা থেকেই করোনা আক্রান্ত শাশুড়ি জড়িয়ে ধরলেন বৌমাকে, যাতে বৌমাও করোনা আক্রান্ত হন! এমনই বর্বরোচিত ঘটনা ঘটলো তেলেঙ্গানার সমারিপেটা গ্রামে। কিছুদিন আগেই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।

করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর বাড়িতেই আলাদা করে রাখা হয়েছিল তাঁকে। তার খাবার দাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল ঘরের দরজার কাছে। নাতি-নাতনীদের দেখতে পাচ্ছিলেন না। পরিবারের সকলের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকতে থাকতে একসময় তিনি এতটাই অধৈর্য হয়ে পড়েন যে নিজের ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এসে বৌমার সামনে দাঁড়িয়ে তাকে জিজ্ঞেস করেন, “আমি মরে গেলেও তোমরা ভালো থাকতে চাও?”

এর পরেই তিনি বৌমাকে জড়িয়ে ধরেন! ওই মহিলার উদ্দেশ্য সিদ্ধ হয়েছে। পরে বৌমার করোনা টেস্ট করানোর পর তার টেস্ট রিপোর্টও পজিটিভ আসে। এরপর তিনিও আইসোলেশনে চলে যান। আসলে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর শ্বশুর বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় তাকে। রজান্যা জেলার থিমাপুরে বোনের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন ২০ বছরের ওই তরুণী। সংসারে শাশুড়ি-বৌমার দ্বন্দ্ব চিরাচরিত দ্বন্দ্ব। তবে করোনার মতো মহামারীকে কেন্দ্র করেও যে কোনো শাশুড়ি তার বৌমার প্রতি এমন আচরণ করতে পারেন, তা জেনে হতবাক নেটিজেন।