সরকারি নিরাপত্তারক্ষী ছাড়াই গাড়ির বদলে ঘুরছেন বাইক নিয়ে, কেন এমন করলেন বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী?

আসন্ন একুশের লড়াইয়ে বাংলায় আসন ধরে রাখতে মরিয়া তৃণমূল সরকার। ভোটযুদ্ধে বিরোধী বিজেপি শিবির প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দাঁড়িয়ে! এমতাবস্থায় রাজ্যের মানুষের আস্থা অর্জন করতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়ানোই টার্গেট মমতা সরকারের। সেইমতো মাঠে নেমেছেন মমতার সৈনিকরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে প্রচার চালাতে গিয়ে আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী এক নতুন রূপে ভোট মঞ্চে অবতীর্ণ হয়েছেন।

একুশের বিধানসভা নির্বাচন এখনো ঘোষণা হয়নি। তাই বিধায়ক হিসেবে সৌরভ চক্রবর্তীর মেয়াদ এখনো কার্যত ফুরোয়নি। তবে সাধারণের সঙ্গে একাত্ম হতে নির্বাচনের আগেই সরকারি নিরাপত্তারক্ষী এবং সরকারি গাড়ির ব্যবহার ছাড়লেন আলিপুরদুয়ারের এই বিধায়ক। এখন কোথাও যেতে হলে নিজেই বাইক অথবা স্কুটি চালিয়ে অথবা নিদেনপক্ষে অটো কিংবা টোটো ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে তাকে।

সরকারি নিরাপত্তা প্রাপ্ত বিধায়কের এহেন আচরণে রীতিমত অবাক হয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। বিধায়কের বক্তব্য অনুসারে, এমনটা করে মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়াতে চান তিনি। বিধায়ক হিসেবে নয়, দলীয় কর্মীদের সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে চান সৌরভ চক্রবর্তী। তাই নিজের জন্য আলাদা কোনো গাড়ির ব্যবস্থা রাখতে চাইছেন না আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক।

তার এই কর্মকাণ্ডকে অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিজেপি। আলিপুরদুয়ার জেলা বিজেপির সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মার কটাক্ষ, “উনি বেশ বুঝে গিয়েছেন, একুশের লড়াইয়ে আসন ধরে রাখতে পারবেন না। তাই এখন নাটক করছেন। তবে উনি যাই করুন না কেন, আলিপুরদুয়ারের পাঁচটি বিধানসভা আসনেই জয়লাভ করবে বিজেপি!” এমনটাই দাবি করেছেন আলিপুরদুয়ারের জেলা বিজেপির সভাপতি।