২৬ জানুয়ারি কেন দেশজুড়ে পালন করা হয় প্রজাতন্ত্র দিবস? রইলো কিছু অজানা তথ্য

আজ প্রজাতন্ত্র দিবস। সকাল থেকেই শুরু হয়ে গেছে সারা দেশজুড়ে সাজ সাজ রব।জানুয়ারি মাসের পর পর এই দুই দিন সারা দেশজুড়ে শুনতে পাওয়া যায় দেশাত্মবোধক গান। রাজধানী থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জ, একসাথে সকলেই ভেসে ওঠে দেশাত্মবোধক এই গানে। তবে আমরা অনেকেই জানিনা, এই বিশেষ দিনের গুরুত্ব। তাই আজকে জেনে নেওয়া যাক, প্রজাতন্ত্র দিবস এর পেছনে লুকিয়ে থাকা ইতিহাসের কথা।

প্রজাতন্ত্র দিবস কে প্রথমে মহাত্মা গান্ধী নাম দিয়েছিলেন স্বতন্ত্রতা সংকল্প দিবস। পন্ডিত জহরলাল নেহেরুর নেতৃত্বে ১৯২৯ সালে স্বরাজ আনার শপথের পর ঠিক তার পরের বছর এই দিনটি কে স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা করা হয়েছিল।
তবে ব্রিটিশ শাসন কে সরিয়ে দিয়ে ১৫ ই আগস্ট, যখন ভারতের মানে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, তখন থেকে সেই দিনটিকেই আমরা স্বাধীনতা দিবস বলে পালন করে থাকি।

স্বাধীনতার প্রায় আড়াই বছর পর তৈরি হয়েছিল ভারতের সংবিধান। ১৯৫০ সালে এই দিনে তৈরি করা হয়েছিল দেশের সংবিধান।তখন থেকেই এই দিনটিকে প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে রাজধানীর রাজপথে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবছর। কলকাতার রেড রোডে ও একই রকম অনুষ্ঠান চোখে পড়ে।এই বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে। কিন্তু গতবছরের মহামারীর জন্য সেই প্ল্যান ক্যানসেল করে দিয়েছেন বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী। করণা সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে।

প্রতিবছর কলকাতার রেড রোড চত্বরে কুচকাওয়াজ দেখার জন্য জমায়েত হন বহু মানুষ। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ওড়ানো হয় ড্রোন ক্যামেরা। চলতি বছরের সেই সমস্ত কিছু নজরে পড়ছে না।শুধুমাত্র নজরে রয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা।কলকাতাতেও সেনা জওয়ান দের কুচকাওয়াজ দেখার অনুমতি পাইনি দর্শকরা। আমজনতার প্রবেশাধিকারে রীতিমতো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে সরকার থেকে। জনসাধারণ তো দূরের কথা ভিআইপি দর্শক সংখ্যা রয়েছে সীমিত।