অবসাদগ্রস্ত মানুষকে ড্রাগ সেবন করতে দেওয়া হলো কেনো, রিয়ার মন্তব্যে তীক্ষ্ণ জবাব অঙ্কিতার

সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকে যদি কোন ব্যক্তি সুশান্তের মৃত্যুতে সবথেকে বেশি ভেঙে পড়েছে তাহলে অঙ্কিতা লোখান্ডে। অঙ্কিতা লোখন্ডে হলেন সুশান্তের প্রাক্তন প্রেমিকা।একসাথে পবিত্র রিস্তা সিরিয়াল করার সময় থেকেই তারা একে অপরকে ভালবাসতেন। কিন্তু সুশান্ত অনেক বড় হবার স্বপ্ন দেখতো। বলিউড জগতে পা রাখা সঙ্গে সঙ্গে তিনি ভুলে গেলেন অঙ্কিতা কে। একের পর এক মহিলার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার পর অবশেষে তিনি প্রেম সম্পর্কে আবদ্ধ হলেন রিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে। তার ফলস্বরূপ সুশান্তের কি পরিণতি হলো তা সকলেরই জানা।সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকে অঙ্কিতা লোখন্ডে ক্রমাগত টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকারে বলে গেছেন,”আমি জোর গলায় বারবার বলছি, সুশান্ত কোনদিন অবসাদগ্রস্ত হতে পারে না।

ও কখনই আত্মহত্যা করতে পারে না”।সুশান্তের জন্য অঙ্কিতার ভালোবাসা চিরকালই ছিল স্বার্থহীন। সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে অঙ্কিতার পাশে দাঁড়িয়েছেন অনেকেই।কিন্তু কথাতেই আছে দুর্জনের ছলের অভাব হয় না।অঙ্কিতা লোখন্ডে কে বিভিন্নভাবে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছেন রিয়া চক্রবর্তী সহ তার সমর্থকরা।রিয়া চক্রবর্তীর গ্রেপ্তারের পর এবার তাকে উদ্দেশ্য করে সুশান্তের প্রাক্তন বান্ধবী সুদীর্ঘ খোলা চিঠিতে তার বক্তব্য প্রকাশ্যে আনলেন সকলের।অঙ্কিতা তার চিঠিতে লেখেন যে,”আমি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই যে সংবাদমাধ্যম আমাকে বারবার জিজ্ঞাসা করেছে যে সুশান্তের মৃত্যু টা কি আদৌ কোনো হত্যা নাকি আত্মহত্যা? আমি কখনোই বলিনি যে এটি হত্যা এবং এই হত্যার জন্য কোন বিশেষ একজন ব্যক্তি দায়ী।

আমি আমার প্রয়াত ও বন্ধু সুশান্তের মৃত্যুর জন্য ন্যায় বিচার চেয়েছি। বারবার দাবি করেছি যে, তদন্তকারীরা এই মৃত্যুর পেছনের আসল সত্যিটা খুঁজে বার করুন। মহারাষ্ট্র এবং ভারতের নাগরিক হিসাবে আমার সরকার এবং পুলিশের ওপর যথেষ্ট আস্থা রয়েছে। অনেকেই আমাকে কখনো বিধবা কখনো সতীন,এই সমস্ত বাক্য ব্যবহার করে আমাকে কষ্ট দেবার চেষ্টা করেছে। আমি কখনোই কাউকে পাল্টা জবাব দিইনি। আমি শুধুমাত্র সুশান্তের সম্পর্কে, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে যা জানি তাই বলেছি”।তিনি নিন্দুকদের উদ্দেশ্য করে আরো বলেন যে,”প্রিয় নিন্দুক গন! আমি ধরে নিচ্ছি, আপনারা আমার বন্ধু সম্পর্কে সব কিছুই জানতেন। তবে শেষ পর্যন্ত যা হয়েছে ভালোর জন্যই হয়েছে।

তবে এর আগে যদি তোমরা একটু তোমাদের বন্ধুকে উপদেশ দিতে, তাহলে হয়তো এরকম ক্ষতি হত না।রিয়া চক্রবর্তীর নাম না করেই অঙ্কিতা বলেন যে,”যদি সে খুব ভাল করে সুশান্তের মানসিক পরিস্থিতি জানত, যদি সত্যি সুশান্ত অবসাদগ্রস্ত ছিল, তাহলে কি সেই সময় তাকে ড্রাগ দেওয়া উচিত হয়েছে? কোন মানসিক অবসাদগ্রস্ত মানুষকে কিভাবে সাহায্য করা যায়? সবশেষে তিনি রিয়ার সমর্থকদের জন্য উদ্দেশ্য করে বলেন যে,”তোমরা তোমাদের বন্ধুর পাশে দাঁড়াও, আমি পরিবারের পাশে দাঁড়াবো। এই বিষয়ে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা উচিত হয়নি বলেই মনে হয়”। অঙ্কিতার এই খোলা চিঠির সমর্থনের সুশান্তের দিদি শ্বেতা সমর্থন করে বলেছেন যে,”একদম ঠিক বলেছ”।