ক’রোনা ভ্যা’কসিন নিয়ে ফের আশঙ্কার কথা শোনাল WHO প্রধান

সারা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন নতুন রেকর্ড গড়ছে। ভারতীয় হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণের হার। থমকে আছে অর্থনীতি, শিক্ষাব্যবস্থা। সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা দিন প্রতিদিন আরও নিম্নমুখী হচ্ছে। বিশ্ববাসী এখন করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী উপযুক্ত ভ্যাকসিনের আশায় দিন গুনছেন। এরই মধ্যে বিশ্বের বেশ কয়েকটি গবেষণা কেন্দ্র দাবি করছে, ভ্যাকসিনর তৈরির একেবারে শেষ পর্যায়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে তারা।

রাশিয়া, আমেরিকা, চীন ইতিমধ্যে তাদের আবিষ্কৃত করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে বিশ্ববাসীকে আশার আলো দেখাচ্ছে। বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, আগামী বছরের শুরুর দিকে করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিন ব্যবহার করতে পারবেন সাধারন মানুষ। ফলে গবেষণা সংস্থার দাবিতে স্বভাবতই আশ্বস্ত সাধারণ মানুষ। কিন্তু, সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বাড়িয়ে সম্প্রতি ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেডরোস ঘেবরেসাস সম্প্রতি দাবি করেছেন, এই মুহূর্তে বিশ্বে যে কয়টি ভ্যাকসিন সম্পর্কে গবেষণা চলছে, করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সেগুলির একটিও কাজে আসবে কিনা সে বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের মতে, এর আগে বহু রোগের টিকা আবিষ্কারের ক্ষেত্রে দেখা গেছে অনেক টিকাই রোগ প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়েছে। তবে তার মধ্যে থেকেই উপযুক্ত টিকাটি আবিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে।

তাই, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান জানিয়েছেন, আশা ছাড়লে হবে না। টিকা যদি কার্যকরী না হয়, তাহলে আরও গবেষণা চালিয়ে যেতে হবে। যত বেশি গবেষণা হবে, তত তাড়াতাড়ি টিকা আবিষ্কার করা সম্ভব। উল্লেখ্য, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ২০০টিরও বেশি করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিনের ট্রায়াল’ চলছে। এরমধ্যে তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে রয়েছে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির আবিষ্কৃত কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনটি। বর্তমানের সেরাম ইনস্টিটিউটের তরফ থেকে ভারতে এই ভ্যাকসিন এর তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের চলছে।