“জয় শ্রী রাম” বললে খারাপ লাগার কি আছে?: যোগী আদিত্যনাথ

“জয় শ্রী রাম” স্লোগান নিয়ে রাজ্যজুড়ে যে তর্ক-বিতর্কের রাজনীতি চলছে, সেই আঁচ সর্বভারতীয় রাজনীতির গায়েও এসে লেগেছে। সম্প্রতি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলে আয়োজিত সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ করে “জয় শ্রী রাম” স্লোগান ওঠায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে ভাষণ মঞ্চ পরিত্যাগ করেন। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল।

তৃণমূল এবং বিজেপি সমর্থকরা কার্যত এই “জয় শ্রী রাম” স্লোগান বিতর্কে জড়িয়েছেন। বিতর্কের রেশ গিয়ে পৌঁছেছে রবিবার বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতেও। সুদূর মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বরা মমতা বন্দোপাধ্যায়ের এই অবস্থানের কড়া নিন্দা করছেন। “জয় শ্রীরাম স্লোগান উঠলে খারাপ লাগার কি আছে?”, প্রশ্ন তুললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

যোগী আদিত্যনাথের যুক্তি, “জয় শ্রীরাম” স্লোগান আসলে এক রকমের অভিবাদন বার্তা। সাধারণ মানুষের কাছে ভগবান শ্রী রামের নাম এক আলাদা অনুভূতি জাগিয়ে তোলে। “জয় শ্রীরাম” বলে কেউ সম্মোধন করে নমস্কার করলে, তা একপ্রকার শিষ্টাচার হিসেবেই গণ্য হয়। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর মতে, “জয় শ্রী রাম” স্লোগান নিয়ে অযথা জল ঘোলা করা হচ্ছে!

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে “জয় শ্রী রাম” স্লোগানকে হাতিয়ার করে ভোটের মেরুকরণ করতে চাইছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছেন তৃণমূলীয় সমর্থকরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে যোগীর যুক্তি, “জয় শ্রী রাম” কারোকে জোর করে বলতে বলা হচ্ছে না। কারোর উপর জোর-জুলুম করে এমনটা করা হচ্ছে না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন বাংলায় ভোট প্রচারে যোগী আদিত্যনাথের প্রভূত গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। নির্বাচনের আগে বিজেপির হয়ে ভোট প্রচারে বাংলায় আসতে পারেন যোগী।