নিজের প্রধানমন্ত্রী হওয়া প্র’স’ঙ্গে দিল্লিতে যা উত্তর দি’লে’ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পরপরই কার্যত সর্বভারতীয় স্তরে তৃণমূলকে পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর তৃণমূল সুপ্রিমো। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একের পর এক বিরোধীদলের নেতাদের নিজের দলে অন্তর্ভুক্ত করে শক্তি বৃদ্ধি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলায় বিজেপি নির্মূল করাতে বিরোধীদলের মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি। এমতাবস্থায় আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে তার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য এই সব নিয়ে এখনই কথা বলতে রাজি নন। বুধবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একটি বৈঠকে অংশগ্রহণ করে বেরিয়ে এসে সংবাদমাধ্যমের সামনে প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই উত্তর দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ওসব অনেক পরের কথা। দল আগে মানুষের জন্য কাজ করতে চায়।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যদি কোনো রাজ্যের মানুষ তৃণমূলকে আমন্ত্রণ জানায় তাহলে তৃণমূল অবশ্যই সেখানে যাবে। দিল্লিতে দাঁড়িয়ে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় রাজ্যের অধিকার নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীকে বাণিজ্য সম্মেলনের উদ্বোধনী আমন্ত্রণ জানিয়ে নিজেকে পরিণত রাজনীতিবিদ বলে প্রমাণ করার চেষ্টাও করেছেন তিনি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী করে গড়ে তোলাই তৃণমূলের প্রধান লক্ষ্য। সেই জন্য আইপিএসির নেতৃত্বে দেশজুড়ে কাজ করছে তৃণমূল। তৃণমূল জানে একার ক্ষমতায় দিল্লির মসনদ দখল করা যাবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে থেকেই নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থী বলে উল্লেখ করতে চাইছেন না। তাহলে জোট ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকছে।