এ কেমন ল’ক’ডা’উ’ন! লোকাল ট্রে’ন চালানোর প’ক্ষে রেলমন্ত্রীর কা’ছে আ’বে’দ’ন বিজেপি সাংসদের

দেশের “লাইফ লাইন “লোকাল ট্রেন” যা লকডাউনের জন্য বন্ধ রয়েছে। শুধুমাত্র কিছু ট্রেন চলছে স্টাফ পরিবহনের জন্য। ট্রেন না চললে অনেক মানুষই তাদের কর্মক্ষেত্রে যেতে পারছেন না, যার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেক সাধারণ মানুষ। ট্রেন অবরোধের খবর মাঝে মাঝেই শোনা যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুদিন আগেই নবান্নে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন,সেখানে ঘোষণা করেছিলেন, ১ লা জুলাই থেকে লকডাউনের বিধি-নিষেধের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিল করা হবে। ১লা জুলাইয়ের পর থেকে জিম, সরকারি এবং বেসরকারি বাস, পার্লার সমস্ত কিছু খোলার কথা বললেও তিনি লোকাল ট্রেন খোলার কোনো কথাই বলেননি।

লোকাল ট্রেন চালু করার দাবি নিয়ে মাঝে মাঝেই দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন স্টেশন ঘিরে বিক্ষোভ,কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোনো খবরই সামনে আসছে না ট্রেন খোলার। তবে এই রকম একটি সময়ে বিজেপি রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত লোকাল ট্রেন চালু করার দাবি করে একটি চিঠি পাঠালেন সরকারী রেলমন্ত্রীকে। একটি টুইট করেন এবং যেখানে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে এখন লকডাউন নিয়ে খামখেয়ালি চলছে, একদিকে বাস চলছে, অন্যান্য সমস্ত পরিবহন ব্যবস্থা চলছে, কিন্তু বন্ধ করে রাখা হয়েছে মেট্রো, লোকাল ট্রেন। প্রত্যেকদিনই সাধারণ যাত্রীরা তাদের কর্ম ক্ষেত্রে যাওয়ার জন্য সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। তাদের উপার্জন করার রাস্তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে”।

নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীকে ট্রেন চালানোর বিষয়ে যখন প্রশ্ন করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন, “ট্রেন যদি এখন চালানো হয় তাহলে দেশের সব মানুষ কোভিডে আক্রান্ত হবে। সেই সময় কে সামলাবে? “। এইরকম একটি উত্তর শুনে সকলেই বুঝে গেছেন আপাতত লোকাল ট্রেন চালানোর পক্ষপাতিত্ব করছেন না মুখ্যমন্ত্রী। তবে কোন সময়ে লোকাল ট্রেন চলবে সে সম্পর্কেও তিনি স্পষ্ট করে কিছুই এখনো বলেননি।

লোকাল ট্রেন কবে খোলা হবে সেই সম্পর্কের কোন রকম উত্তর মুখ্যমন্ত্রীর থেকে না পাওয়ার জন্য এই বিষয়টাকে খামখেয়ালি বলে কটাক্ষ করে চিঠি লিখেছেন স্বপন দাশগুপ্ত। চিঠিতে তিনি লেখেন, ” গত এপ্রিল মাসের শেষের দিক থেকেই বাংলায় লকডাউন চলছে, য়ার জন্য মেট্রো, লোকাল ট্রেন সমস্ত কিছু বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ১লা জুলাই থেকে লকডাউন কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। জিম,রেস্তোরাঁ, পার্লার সমস্তকিছুই চালু করে দেওয়া হয়েছে, শুধুমাত্র লোকাল ট্রেনে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ সত্যিই চরম সমস্যার মুখে পরছে”।