সং’ক্র’ম’ণে কাঁ’প’ছে পশ্চিমবঙ্গ, ফের শিয়ালদহ ডি’ভি’শ’নে বা’তি’ল একাধিক লোকাল ট্রেন

দেশজুড়ে মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে যে আগামী দিন কি পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আমাদের যেতে হবে। খুব সম্ভবত আগামী মাস থেকেই লকডাউন ঘোষণা করে দিতে পারে সরকার। আরো একবার পুরনো জীবনে ফিরে যেতে হবে আমাদের। আরো একবার বেরোজগার হয়ে যাবেন বহু মানুষ। এই সমস্ত চিন্তা নিয়েই আমাদের দিন কেটে যায়। যেভাবে করোনার প্রকোপ বেড়ে চলেছে, সেখানে দাঁড়িয়ে চিন্তা করা ছাড়া হয়তো আমাদের আর কিছু করার নেই।

সম্প্রতি বেশকিছু ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হল। একাধিক চালক এবং গার্ড করোনাই আক্রান্ত হওয়ায় ট্রেন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সম্প্রতি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমকে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক এক লব্য চক্রবর্তী জানিয়েছেন যে, আজ থেকে ২৫ টি লোকাল ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হল। এই মুহূর্তে আমাদের চালক এবং গার্ড নিয়ে মোট কতজন আক্রান্ত হয়েছেন করণাতে। আশ্বাসে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে। তবু আমরা চেষ্টা করছি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার। জানিনা কতদিন এইভাবে চলতে হবে।

হাওড়া ডিভিশনের কোন ট্রেন এখনো বাতিল করা হয়নি বলে তিনি জানিয়েছেন। তবে ভবিষ্যতে কতদিন এইভাবে তিনি চালাতে পারবেন তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে তার। গত সপ্তাহে এক দিনে প্রায় ১৪ জন করণা আক্রান্ত হয়ে পড়ায় লোকাল ট্রেনের উপর প্রভাব পড়ে যায় ব্যাপক। গাড়ির অভাবে শুক্রবার ডিভিশনের বিভিন্ন শাখায় আবেদন ডাউন মিলিয়ে মোট ২৬ টি লোকাল ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হল।

অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব রেলে সেইভাবে প্রভাব পড়েনি বলেই জানিয়েছেন জনসংযোগ আধিকারিক গীতা সরকার। তিনি জানিয়েছেন যে, এখনো পর্যন্ত দক্ষিণ-পূর্ব শাখায় স্বাভাবিকভাবে ট্রেন চলাচল করছে। মাক্স না পড়ে করলে জরিমানা নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ পালন করা হচ্ছে। সমস্ত সচেতনতা নিয়ে চালানো হচ্ছে ট্রেন।

রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান সুনীল শর্মা জানিয়েছেন যে, বর্তমানে 70% প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলছে। এই মুহূর্তে কোন ট্রেন বন্ধ রাখার আবেদন জানানো হয়নি সরকার থেকে। গতবছর সংক্রমনের জন্য ট্রেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সরকার। তবে এখনো পর্যন্ত সেই রকম কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়নি সরকার। ভবিষ্যতে কি হবে সেটা এখন বলা যাচ্ছে না।