শুধুমাত্র সাদা চাদর জড়িয়ে ওয়েডিং শুট, নয়া দম্পতির অন্তরঙ্গ মুহূর্ত ভাইরাল

প্রি ওয়েডিং অথবা বেবি বাম্প নিয়ে ছবি তোলা এখন একেবারেই সাধারণ ঘটনার মধ্যে পড়ে। তবে সম্প্রতি এমন একটি ফটোশুট সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোরাফেরা করছে, যা দেখে একবারের জন্য হলেও আপনি চমকে যাবেন। এবার বলি আসল ঘটনাটা। চলতি বছরে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য ধুমধাম করে বিয়ে হয়নি কেরালার ঋষি কার্তিকেয় এবং লক্ষ্মীর। প্রি ওয়েডিং ফটোসুট করার খুব ইচ্ছা ছিল তাদের। কিন্তু সেই সব পূরণ হয়নি বলে মধুচন্দ্রিমার সময় তারা সেই ইচ্ছা পূরণ করেছেন।

গত সপ্তাহে ইদুক্কি জেলায় চা বাগানে ঘেরা একটি স্থানে তারা মধুচন্দ্রিমায় গিয়েছিলেন।সেখানে নতুন দম্পতি নিজেদের গায়ে সাদা চাদর জড়িয়ে বিভিন্ন পোজে ছবি তুলেছেন।অসামান্য এই ছবিগুলো তুলে দেন তাদের পারিবারিক বন্ধু অখিল কার্তিকেয়ন।তিনি ওয়েডিং স্টোরিজ নামে একটি ফটোগ্রাফিক সংস্থা চালান।

অন্য আরো অনেকের মতো নবদম্পতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবি পোস্ট করেছেন। তবে তাদের এই উত্তেজনা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।বৃহস্পতিবার ফেসবুকে ছবি পোস্ট করার পর থেকেই হঠাৎ করে তাদেরকে কুরুচিকর মন্তব্য করা শুরু হয়। জঘন্য রুচির জন্য তাদের দায়ী করা হয়। এমনকি ফেসবুকের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামে একই অবস্থা হয়।

ঋষির কথাকে উদ্ধৃত করে দ্যা নিউজ মিনিটস এর প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্পূর্ণ শুটিংয়ের সময় আমাদের গায়ে ভালোমতোই জামা কাপড় ঢাকা ছিল। আমরা যেহেতু ভ্যাগামনের মতো একটি জায়গায় সুট করছিলাম, তাই কোনো পোশাক পড়ে না থাকাটা কিন্তু অসম্ভব ছিল। ফটোগ্রাফার যে সুন্দর ছবিগুলো তুলে দিয়েছেন, তার জন্য পুরো কৃতিত্ব আমরা তাকেই দেবো।

কিন্তু ছবির ধরন নিয়ে আমাদের দুজনকে অধিকাংশ ফেসবুক ব্যবহারকারী নীতি পুলিশের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। আসলে অধিকাংশ প্রি ওয়েডিং ফটোশুট একটি নিয়মিত রীতিতে চলে। সেখানে আমরা একটু অন্যরকম পরিকল্পনা করেছিলাম। এটি আমাদের পরিবারের কোনো আপত্তি ছিল না।

তবে নেতিবাচক মন্তব্যের পাশাপাশি বহু মানুষ এই ছবিগুলো কে পছন্দ করেছেন।আবার অনেকে পছন্দ না করলেও ভদ্র ভাষায় সমালোচনা করেছেন। তবে কিছু নিম্নমানের সমালোচনা পাবার পর লক্ষী এবং ঋষি জানিয়েছেন, তারা ফেসবুক থেকে এই ছবিগুলো মুছে দেবেন না। তাদেরকে যেভাবে হেনস্থা করা হয়েছে, তার জন্য কোন যাবার তারা দেবেন না। তারা জানেন এই জিনিস দু-একদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। তাই কোন রকম পুলিশের কাছে অভিযোগ করে তারা তাদের এনার্জি নষ্ট করতে চান না।