অনলাইনে কা’জ করে ই’ন’কা’ম করতে চা’ন? ভি’জি’ট করুন কেন্দ্রীয় সরকারের এই পো’র্টা’লে

করোনা মহামারী, যা আমাদের জীবনে একটা ইতিহাস রচনার করছে প্রত্যেকদিন। গতবছরের থেকে করোনার প্রকোপ গোটা বিশ্বে হানা দেয়, এবং তারপর থেকেই শুরু হয়ে যায় মানুষের সাধারণ জীবনযাত্রায় আমূল পরিবর্তন। করোনা মহামারীর জন্য গত বছরে কয়েক মাস লকডাউন ছিল যার ফলে বহু মানুষ তাদের কাজ হারিয়েছিল, গত বছরের শেষের দিকে করোনার সংক্রমণ কমে যাওয়ার ফলে মানুষ কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে পা দেওয়ার সাথে সাথেই নতুন বছরের প্রথম দিকে আবার শুরু হল করোনার প্রকোপ।

প্রথমদিকে করোনা শহর এবং শহরতলীতে হানা দেওয়ার ফলে বহু মানুষ শহর ছেড়ে প্রবেশ করেছিল গ্রামে। অনেকেই শহর থেকে গ্রামে গিয়ে নিজের নিজের আলাদা ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করে। করোনার জন্য লকডাউন এবং তার ওপর ঘর থেকে না বেরোনোর, ব্যাপারটাকে কাজে লাগিয়ে অনেকেই ঘরে বসে ব্যবসা বাণিজ্য শুরু করে দিয়েছেন। অনেকেই চাইছেন এখন বাড়িতে বসে নিজের একটি ব্যবসা করে উপার্জন করতে। কেউ যদি শিক্ষিত এবং গ্রামের মানুষ হন এবং ঘরে বসেই কিছু করতে তাহলে সরকার একটি প্রকল্প করেছে যা আপনাকে এই ব্যাপারে অনেক সাহায্য করবে।

এই প্রকল্পটির মাধ্যমে আপনি ঘরে বসেই শুরু করতে পারবেন আপনার নিজস্ব কাজ। এর জন্য আপনাকে সরকারের প্রকল্পটিতে আপনাকে রেজিস্টার করতে হবে এবং তারপরেই আপনি পেয়ে যাবেন অনলাইনে প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণ যখন আপনার শেষ হয়ে যাবে তখন আপনি একটা শংসাপত্র পাবেন। আপনি চাইলে আপনার বাড়িতে থেকেই কাজ করতে পারবেন। এই প্রকল্পটি কেন্দ্রীয় সরকারের ডিজিটাল ভারতের অধীনে, আপনি আপনার গ্রামে যদি একটি কমন সার্ভিস সেন্টার খোলেন তাহলে সেখান থেকেও আপনি উপার্জন করতে পারবেন। এরকম একটি স্কিমের উদ্দেশ্য একটাই, সেটা হলো গ্রামীণ যে সমস্ত যুবক রয়েছে তাদের এই কাজে উদ্যোগী করা এবং তাদেরকে ডিজিটাল ইন্ডিয়ার আওতায় আনা। যদি আপনি চান আপনার গ্রামে আপনি সার্ভিস সেন্টার করবেন তাহলে আপনাকে কি কি করতে হবে সে বিষয়ে জেনে নিন।

১.প্রথমত আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে কম্পিউটার চালানো।

২.আপনাকে কমন সার্ভিস সেন্টারে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

৩.যখন রেজিস্ট্রেশন করবেন তখন আপনাকে ১৪০০ টাকা জমা দিতে হবে।

৪.আপনি যখন রেজিস্ট্রেশন করবেন তখন আপনি কোন জায়গাতে এই সেন্টারটি খুলতে চান সেখানে সেই জায়গার একটি ছবিও আপনাকে আপলোড করতে হবে।

৫. যখন আপনি অ্যাপ্লিকেশন পূরন করবেন তারপরে আপনাকে একটি আইডি দেওয়া হবে, যা থেকে আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি আপনি নিজেই ট্র্যাক করতে পারবেন।

৬.আপনার প্রশিক্ষণ হবে প্রশিক্ষণ হওয়ার পর আপনাকে একটি শংসাপত্র দেওয়া হবে, এই শংসাপত্রে আপনি এমন কিছু পরিসেবার জন্য অনুমতি পাবেন যা অন্যান্য সাধারণ সাইবার ক্যাফেতে কোন ব্যক্তি সেই অনুমতি পায় না।

৭.আপনার কেন্দ্র থেকে আপনি, অনলাইন কোর্স এবং ই-বাণিজ্য বিক্রয়, বিমান এবং বাসের টিকিট বুকিং করা, ডিটিএইচ রিচার্জ করতে পারা, পাসপোর্ট তৈরি করতে পারা, প্যান কার্ড তৈরি করতে পারে এরকম অনেক সরকারি কাজ করতে পারবেন।

৮.সরকার এই কাজ শেখানোর জন্য বা অনুমতি করে দেওয়ার জন্য কখনোই কোনো অর্থ আপনার থেকে নেবে না। আপনি আপনার গ্রাম এবং কাজের ভিত্তিতে যেকোনো দাম নির্ধারণ করতে পারবেন।