শাশুড়ির সাথে ভালো স’ম্প’র্ক গড়ে তুলতে চান? তবে এসব ক’থা কখনই বলবেন না

শাশুড়ি-বৌমার লড়াই কার্যত প্রতিটি ঘরের সমস্যা। তবে জানেন কি কিছু কিছু সামান্য বিষয়ে খেয়াল রাখলেই শাশুড়ি বৌমার নিত্যদিনের অশান্তি এড়ানো সম্ভব হয়? তার জন্য অবশ্য এখনকার বৌমাদের আরেকটু বেশি সতর্ক এবং বুদ্ধিমতী হতে হবে। জানুন সংসারে শান্তি বজায় রাখার জন্য কোন কোন কথা শাশুড়ি মাকে বলা যাবে না।

আপনার মতামত চাই না : শাশুড়ির সঙ্গে যদি বনিবনা নাও থাকে তবুও কিন্তু তাকে এমন কথা বলা যাবেনা । এমনকি শাশুড়ির পরামর্শ সামনাসামনি এড়িয়ে যাবেন এমনটা যেন না হয়। তিনি আপনার গুরুজন, তাই তার কথা শুনে নিন। তারপর কী করবেন না করবেন এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে আপনার।

আপনি ছেলেকে কিছুই শেখাননি : ছেলের কোন বিষয় নিয়ে মাকে বলতে যাবেন না। স্বামীর কিছু কিছু বিষয় আপনার ভালো নাই লাগতে পারে। সেই নিয়ে শাশুড়ির কাছে অভিযোগ জানাবেন না। প্রত্যেক বাবা-মা তার সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে চান। সন্তান দোষ করলে সেই দায়ভার বাবা মায়ের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।

আপনার থেকেই আপনার সন্তান খারাপ অভ্যাস পেয়েছে : ছেলের বদগুনের জন্য শাশুড়ি দায়ী, এমন ধরনের কোনও মন্তব্য করতে যাবেন না। এতে নিজেকে ছোট করা হয়।

উপহারের দাম জিজ্ঞেস করবেন না : আপনার শাশুড়ি মা যদি আপনাকে কোনো উপহার দেন তাহলে তার দাম জিজ্ঞেস করবেন না। শুধু শ্বাশুড়ি মা কেন কাউকেই এমনটা বলা উচিত নয়।

সব সময় আসবেন না : যদি কেউ আপনার বাড়িতে আসতে চান, বিশেষত তিনি যদি শাশুড়ি মা হন তাহলে তাকে অবশ্যই বলুন যখন খুশি আসতে। কারণ সেটা ছেলেরও বাড়ি। তাই প্রথমেই যদি আপনি তাকে আসতে বারণ করে দেন তাহলে সম্পর্ক আগে থেকেই খারাপ হয়ে যাবে।