শী’ত’ল’খুঁ’চি’র সেই অ’ভি’শ’প্ত বু’থে ফে’র ভো’ট গ্র’হ’ণ, জে’নে নি’ন তা’রি’খ

চতুর্থ দফার নির্বাচনের দিন কোচবিহারের শীতলকুচি কান্ডকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। ঐদিন কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সাধারণ নাগরিকের উপর গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। যার ফলে চারজন স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ জানায় তৃণমূল। সাধারণ নাগরিকের উপর কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলি চালানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের কাছেও পৌঁছোয়।

যার ফলে নির্বাচন কমিশন কোচবিহারের শীতলখুচির জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর ওই বুথে ফের আরেক দফা নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছে। সোমবার সপ্তম দফা নির্বাচনের শেষে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ২৯শে এপ্রিল অষ্টম দফার নির্বাচনের দিন শীতলকুচির ওই বুথে ফের ভোট গ্রহণ করা হবে। নির্বাচন কমিশন এও জানিয়ে দিয়েছে সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।

প্রসঙ্গত গত ১০ই এপ্রিল চতুর্থ দফার ভোট গ্রহণের সময় শীতলকুচিতে যে গোলাগুলি চলে তাতে সমিউল মিয়াঁ, মণিরুল মিয়াঁ, হামিদুল মিয়াঁ এবং নুর ইসলাম মিয়াঁ নামে ৪ স্থানীয় বাসিন্দার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মনিরুল, হামিদুল এবং নুর ইসলামের দেহে বুলেটের ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। সমিউলের বুকে স্প্লিন্টারের আঘাতও স্পষ্ট।

শীতলকুচি কাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে সিআইডি তদন্ত শুরু করেছে। পাশাপাশি এগ্‌জিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট স্তরের তদন্তও চলছে। আপাতত অষ্টম দফার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে শীতলকুচি।