কঙ্গনাকে সীতা মাতা ও করিনাকে সূর্পনখার চ’রি’ত্রে না নিলে দর্শকরা ব’য়’ক’ট ক’র’বে রামায়ণ

এর আগেও টলিউড এবং বলিউডের বহুবার রামায়ণ মহাভারত নিয়ে সিনেমা অথবা ধারাবাহিক তৈরি করা হয়েছে। পৌরাণিক কাহিনী মূলক গল্পের ভিত্তিতে ধারাবাহিক অথবা সিনেমা বানানো হয়েছে ততবার তা সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। আজও সমস্ত হিন্দু জাতি পৌরাণিক কাহিনী দেখতে এবং শুনতে ভালোবাসেন। মানুষের এই ভালোবাসার কথা মাথায় রেখে আরো একবার বড় পর্দায় আসতে চলেছে রামায়ণ।

শীঘ্রই পরিচালক অলৌকিক দেশাই বড়পর্দায় আনতে চলেছে আধুনিক যুগের রামায়ণ। কবে বড় পর্দায় মুক্তি হবে অথবা কবে থেকে শুটিং শুরু হবে এই বিষয় নিয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। আপাতত এই প্রোজেক্টের স্টার কাস্ট নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছে বলিউডে। রামায়ণে সীতার ভূমিকায় অভিনয় করতে চলেছেন বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান।

তবে এখানেই ঘটেছে বিপত্তি। কারিনা কাপুর খান সীতার ভূমিকায় অভিনয় করবেন একথা জনসাধারণের সামনে আসার পর রীতিমতো হইচই পড়ে যায় সর্বমহলে। তৈমুরের মা হয়ে কি করে সীতার চরিত্র অভিনয় করবেন কারিনা কাপুর খান, এই নিয়ে প্রশ্ন করেছেন অনেকেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় বয়কটকারিনাখানের ফ্রেন্ড উঠেছে তুমুলভাবে।

একাধারে নেপোটিজম এর জন্য কারিনা কাপুর খান কে বয়কট করার কথা বলেছেন অনেকে আবার অন্যদিকে একজন মুসলিম ঘরের বউ এবং ছেলের নাম তৈমুর রাখার পর কোনভাবেই কারিনা কাপুর খান সীতা চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন না, এমন মতবাদ সকলের। শুধু এখানেই শেষ নয়, এই চরিত্রে কঙ্গনা রানাওয়াত কে দেখতে চান অনেকেই। কারিনা কাপুর খান কে বাদ দিয়ে কঙ্কনাকে নেওয়া উচিত এই চরিত্রে, এই দাবি তুলেছেন নেটিজেনরা। সূর্পনখার চরিত্রের গরম ভালো মানাতে পারে কারিনা কাপুর খানকে, এমন বক্তব্য প্রকাশ করেছেন দুনিয়ার বাসিন্দারা।

আবার এরইমধ্যে শোনা গেছে যে, সীতার চরিত্রে অভিনয় করার জন্য নাকি ১২ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দাবি করেছেন কারিনা কাপুর খান, যা শুনে আরো একবার ক্ষুব্ধ হয়েছেন সকলে। যেখানে এক একটি ছবি করার জন্য ছয় থেকে আট কোটি টাকা পারিশ্রমিক নেন তিনি, সেখানে কি করে এত টাকা চাইতে পারেন কারিনা কাপুর খান? স্বাভাবিকভাবেই এই চরিত্রের সঙ্গে বাঙালি বিশেষত হিন্দু দের আলাদা একটি ভালবাসা’ জড়িয়ে রয়েছে, সেখানে এত টাকা নিয়ে অভিনয় করার কথা অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না। এবার করীনা কাপুর খানকে চরিত্রে অভিনয় করবেন নাকি অন্য কোন পথ বেছে নেবেন পরিচালক তা একমাত্র সময়ই বলতে পারবে। যদিও দর্শকদের ক্ষুব্ধ করে যে কোন সিনেমা চলতে পারে না, এর আগে বোধ করি এটা অনেক পরিচালক বুঝে গেছেন।