পৈশাচিক, কলকাতার বুকে সারমেয়দের “ধ’র্ষ’ণ”, অভিযুক্তর মুখে কালি মেখে জনতার পিটুনি

মানব মনের বিকৃতির কোনো তল থাকতে পারে কী? আট মাস বয়সী শিশু হোক বা আশি বছরের প্রবীণ বৃদ্ধা! মানসিক বিকারগ্রস্তদের বিকৃত কামের ফাঁদ থেকে মুক্তি পান না কেউই। তবে সম্প্রতি খোদ কলকাতার বুকে যে ঘটনাটি ঘটে গেল তা যে কোনো সুস্থ মানবিক বোধ সম্পন্ন মানুষকে মুহূর্তের মধ্যেই শিহরিত করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

কলকাতার হরিদেবপুরের উত্তরপাড়ার বর্মা কলোনির এক মানব রুপী পশু দিনের পর দিন সারমেয়দের ধর্ষণ করে এসেছে। এর জেরে ওই এলাকার বেশ কিছু সারমেয়র মৃত্যুও ঘটেছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, দিনকতক থেকেই এলাকায় বেশ কয়েকটি সারমেয়কে রাস্তায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যাচ্ছিল। এলাকার বাসিন্দারা অবশ্য মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধন্দে ছিলেন।

এরপর সোমক চট্টোপাধ্যায় এবং তিতাস মুখোপাধ্যায় নামক দুই পশুপ্রেমী ঘটনা সম্পর্কে জানতে পেরে এক ব্যক্তিকে ঘটনার খোঁজ খবর নেওয়ার দায়িত্ব দেন। ওই ব্যক্তিই একদিন দেখতে পান স্থানীয় এক যুবক খাবার দেওয়ার আড়ালে একটি সারমেয়কে একটি ইনজেকশন দেয়। ওই সারমেয়টি তন্দ্রাছন্ন হয়ে পড়তেই তাকে তুলে নিয়ে যায় ওই যুবক। তাকে অনুসরণ করতেই সবটা স্পষ্ট হয়ে যায়।

এর পরেই ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে পেরে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত ওই যুবক রঞ্জন বাড়ুইয়ের বাড়িতে চড়াও হয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এরপর তাকে ব্যাপক মারধোর করে মুখে চুনকালি মাখিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। পরে অবশ্য পুলিশ ঘটনা পৌঁছে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।