ভ্যা’ক’সি’ন: কিভাবে ও কোথায় পাবেন ক’রো’নার টিকা! জেনে নিন রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম

কেন্দ্রীয় তরফ থেকে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৬ই জানুয়ারি থেকেই দেশজুড়ে গণহারে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। প্রথম দফায় দেশের অন্তত ৩০ কোটি মানুষ ভ্যাকসিন পাবেন। প্রত্যেক রাজ্যের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীরাই টিকাকরণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। এছাড়াও প্রতিরক্ষামন্ত্রকের সেনা, বায়ুসেনা, নৌসেনা ও উপকূলরক্ষী বাহিনী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিএসএফ, অসম রাইফেলস, সিআরপিএফ, আইটিবিপি, এনএসজি, এসএসবি ও জেলা পুলিস, হোম গার্ড ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, পুরকর্মী ও রাজ্য পুলিসের আধিকারিকরাও প্রথম দফায় টিকা পাবেন।

করোনা যোদ্ধাদের টিকাকরণের পর ৬০-এর বেশি এবং ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে যাদের বয়স, প্রয়োজনীয়তা অনুসারে তারা টিকা পাবেন। এছাড়াও প্রত্যেক রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে যেখানে সংক্রমণের হার বেশি, সেখানে টিকা বন্টন করা হবে। এর পরে আসবে আমজনতার পালা। টিকাকরণের ক্ষেত্রে তাদের আগে রেজিস্ট্রেশন করাতে হবে।

রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায়, প্রথমে কোউইন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। আধার বা সচিত্র পরিচয়পত্র আপলোড করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে ওটিপির মাধ্যমে তা যাচাই করালেই টিকাকরণের সময় ও তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, টিকা করনের জন্য রেজিস্ট্রেশন আগে থেকেই করিয়ে রাখতে হবে। সরাসরি টিকা প্রদান কেন্দ্রে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করাতে চাইলে, তা গ্রাহ্য হবে না।

কেন্দ্রের তরফ থেকে লঞ্চ করা “কো-উইন” অ্যাপের তথ্য অনুযায়ী টিকাকরণের স্থান জানিয়ে দেওয়া হবে। স্কুল বা কমিউনিটি হলে অথবা কোনো নির্ধারিত স্থানেই টিকা প্রদান করা হবে। ওই স্থানে কার্যত তিনটি রুম থাকবে।প্রথমে ওয়েটিং রুমে ভ্যাকসিন প্রার্থীরা অপেক্ষা করবেন। এরপর ভ্যাকসিনেশন রুমে টিকা প্রদান করা হবে। পরিশেষে অবজারভেশন রুমে প্রত্যেককে ৩০ মিনিট পর্যবেক্ষণ করা হবে। টিকাকরণ কর্মসূচি সম্পন্ন করবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা। একজন আধিকারিক রেজিস্ট্রেশন যাচাই করবেন। অপরজন সংযুক্তি যাচাই করবেন। একজন টিকা দেবেন এবং চতুর্থ ও পঞ্চম জন পর্যবেক্ষণ করবেন।