নজিরবিহীন নিরাপত্তা, হাই ভোল্টেজ ভোটপর্বে শুধু নন্দীগ্রামে মোতায়েন ২১ কোম্পানি বাহিনী

আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারি রাজ্য জুড়ে দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণ পর্ব সম্পন্ন হবে। ভোট উপলক্ষে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল। বিশেষত, পশ্চিমবঙ্গে একুশের বিধানসভা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে ভোটের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক হিংসা মুক্ত নির্বাচন সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে কেন্দ্রীয় সেনাবাহিনীর উপর বাংলার দায়ভার চাপানো হয়েছে।

দ্বিতীয় দফায় বাংলায় ৩০টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন সম্পন্ন হবে। উল্লেখ্য এর মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রটি হলো নন্দীগ্রাম। কারণ নন্দীগ্রামের লড়াইয়ে খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলেরই প্রাক্তন সদস্য শুভেন্দু অধিকারী সম্মুখ সমরে। এমতাবস্থায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে বাংলার পরিস্থিতি সামাল দিতে ১০ হাজার ৬২০টি বুথের জন্য ৬৫১ কোম্পানির আধা সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য নির্বাচন কমিশনের কড়াকড়ি সত্বেও রাজ্যে প্রথম দফায় শান্তিপূর্ণ ভোট করানো সম্ভব হয়নি। ভোটের দিন রাজ্য জুড়ে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে। তাই দ্বিতীয় দফায় আর তেমনটা চাইছে না কমিশন। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের হাইভোল্টেজ কেন্দ্র নন্দীগ্রামের জন্য ২১ কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক আরিজ আফতাব গত সোমবার ভিডিও কনফারেন্স মারফত বাঁকুড়া, দুই মেদিনীপুর, এবং সুন্দরবন পুলিশ জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। উক্ত বৈঠকে নির্বাচনের দিন রাজ্যের ওই জেলাগুলিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করাই এখন চ্যালেঞ্জ কমিশনের কাছে।