সকলের সামনে আড়াই হাজার বছর পুরানো মমির কফিন খোলা হলো মিশরে, দেখুন ভিডিও

সম্প্রতি, মিশরের সাক্কারা অঞ্চলের তিনটি কুয়োতে খনন কার্য চালিয়ে প্রায় ৫৯টি মমির কফিন উদ্ধার করেন পুরাতত্ত্ববিদেরা। একসঙ্গে এতগুলি মমি উদ্ধার হওয়াতে স্বভাবতই বেশ খুশি তারা। পুরাতত্ত্ববিদদের ধারণা, এই মমিগুলি প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরনো। মমি গুলি নিয়ে গবেষণা চালানো গেলে আড়াই হাজার বছরের পুরনো ইতিহাসের বহু রহস্য উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন তারা।

গত শনিবার দর্শকদের সামনেই উদ্ধার হওয়া মমি গুলির মধ্য থেকে একটি মমির কফিন খোলা হয়। উৎসাহিত দর্শক সেই ভিডিওটি নিজেদের ক্যামেরাবন্দি করেছেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কতৃপক্ষ আড়াই হাজার বছর পূর্বে সিল করে দেওয়া কফিন খুলে ভেতর থেকে বেরিয়াল ক্লথে মোরা, নানা অলংকার দ্বারা সুশোভিত মমি বের করে নিয়ে এলেন। আড়াই হাজার বছরের পুরনো মমি এখনো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে। দেখলে যেন মনে হয় কালকেই সমাধিস্থ করা হয়েছে।

পুরাতত্ত্ববিদদের মধ্যে, আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে সাক্কারা অঞ্চলের ওই সামাজিক ক্ষেত্রে সমাজের পুরোহিত এবং অভিজাত সম্প্রদায়কে কবর দেওয়া হত। সোশ্যাল মিডিয়ায় এসংক্রান্ত যে ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এই ভিডিও দেখে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করছেন। আবার অনেকেই মমির কফিন খোলার বিরোধিতা করছেন। কারণ, মিশরের লোককথা অনুযায়ী, যে বা যারা মমির খোলার চেষ্টা করে, তাদের উপর নেমে আসে মমির অভিশাপ।

এই অভিশাপের জেরে মৃত্যু অবধারিত। অনেকের মতে, কফির মধ্যে বহু প্রাণঘাতী জীবনে লুকিয়ে থাকতে পারে। এমনিতেই করোনার জেরে বিশ্ববাসীর প্রাণ ওষ্ঠাগত।এই পরিস্থিতিতে অন্তত এই বছরে মমির কফিন খোলার বিরোধিতা করছেন অনেকেই। উল্লেখ্য, উদ্ধার হওয়া মমিগুলিকে মিশরের গিজায় নিউ গ্র্যান্ড ইজিপশিয়ান মিউজিয়ামে সংরক্ষণ করে রাখা হবে বলে জানা গেছে।