জোড়া ঘূর্ণাবাত, রাজ্যের এই জেলাগুলিতে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা, জানাল হাওয়া অফিস

মৌসুমী অক্ষরেখা বিরাজ করছে পশ্চিমাংশে হিমালয়ের পাদদেশ এলাকায়, আর সেটাই গয়া, মণিপুর হয়ে ফারাক্কা পর্যন্ত বিস্তৃত। এবার কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছে শহর বাসী। তাপমাত্রা কমলেও যে শহর জুড়ে যে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি ছিল, সেটা স্পষ্ট। তবে বুধবার টানা বৃষ্টিতে সেটা অনেকটাই দূর হয়েছে। এই বৃষ্টির জেড়ে শহর জুড়ে অনেক জায়গায় ইতিমধ্যে জল জমে গেছে। সাথে তাপমাত্রাও কমেছে অনেকটাই। আজ বুধবার মেঘলা আকাশ এই কারণেই দক্ষিণবঙ্গের সাথে উত্তরবঙ্গেও একটা ভারী প্রভাব পরতে চলেছে।

আজ সকালের দিকে তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রীর ঘরে ছিল। তবে কলকাতার সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রীর ঘরে ও সর্বোচ্চ ২৭ ডিগ্রীর ঘরে। তবে তাপমাত্রা কমলেও যে কোনোভাবেই আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি কমে নি শহর জুড়ে সেটা আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ দেখলেই বোঝা যায়, এখন সর্বোচ্চ ৯৮%। আসলে এখন রাজ্যে চলবে পূবালী হাওয়ার জেড়ে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার সংঘাত। এখন আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে আসলে এই পশ্চিমবঙ্গে ও অসমে তৈরী হতে চলেছে জোড়া ঘূর্ণাবাত, আর তারফলেই যে এবার একটা ভারী প্রভাব পরতে চলেছে উত্তরের পার্বত্য এলাকায় সেটা কিন্তু স্পষ্ট।

উত্তরবঙ্গ হয়ে মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত এই মৌসুমী অক্ষরেখা। যার ফলেই আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের ৫ জেলায় হালকা মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানা গেছে। সাথে এখন দেখা যাচ্ছে রাজ্যে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। যার ফলে দক্ষিণবঙ্গের মানুষ হাঁসফাঁস করে চলেছে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিংপং এই সব জেলায় তুলনামূলক ভাবে একটু বেশী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে তবে দক্ষিণবঙ্গের দুই ২৪ পরগণা, দুই মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ সব জায়গায় হালকা মাঝারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।

আজ কলকাতায় একেবারে মেঘলা আকাশ, আর এরফলেই যে দফায় দফায় বৃষ্টি হতে চলেছে সেটা কিন্তু স্পষ্ট। আজ বুধবার উত্তরবঙ্গে বেশী বৃষ্টি না হলেও আগামী দিন গুলোতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। আগামী রবিবার মেঘালয় ও অসমে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এই সবের সাথে দক্ষিণবঙ্গেও চলবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টি।