জবরদস্তি মমতার কাছে নিয়ে গিয়েছিল তৃণমূলের গু’ন্ডা’রা, জানালেন আনন্দ বর্মনের দাদু

একুশে নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় “লাশের রাজনীতি” করছেন! তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে এমনই গুরুতর অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছে বিজেপি। চতুর্থ দফার নির্বাচনে শীতলকুচিতে যে কাণ্ড ঘটেছে তার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে রয়েছে। ওই ঘটনায় নিহত প্রথমবারের ভোটার আনন্দ বর্মনের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এবার সরগরম হয়ে উঠলো রাজ্য রাজনীতি।

আনন্দ বর্মনের পরিবারের তরফ থেকে আনন্দের মৃত্যুর জন্য তৃণমুলকেই দায়ী করা হচ্ছে। নিহত ওই যুবকের দাদু ক্ষিতীশ রায় সম্প্রতি তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনলেন। তিনি জানাচ্ছেন তৃণমূলের গুন্ডারাই তাকে জোর করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে ধরে নিয়ে গিয়েছিল। তারপর তাদের কথা মতোই “যা বলতে হয়” বলতে হয়েছে তাকে।

তিনি এও দাবি করেছেন, জেলা তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের কথা অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে সরকারি চাকরি চেয়েছেন তিনি। এদিকে নিহত ওই যুবকের বাবা জানিয়েছেন তার ছেলে বিজেপি দলের কর্মী ছিল। তাই তৃণমূল তাকে গুলি করে হত্যা করেছে। তিনি এও জানিয়েছেন কোন পরিস্থিতিতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় তিনি যাবেন না। সরকারি সাহায্যও চাইবেন না।

এমন দাবী প্রকাশ্যে আসতেই বুধবার বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে লাশের রাজনীতি করছেন। আনন্দ ভ্রমনের দাদুকে জোর করে তৃণমূলের সভায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বাংলার মানুষ এই লাশের রাজনীতি মেনে নেবে না!