টোলগেটে অতিরিক্ত টাকা ও চালকে মারধরের অভিযোগ উঠল টোলের কর্মীদের বিরুদ্ধে

শিলিগুড়ি মহকুমার ফাঁসিদেওয়ার ব্লকের পশ্চিম মাদাতি টোলগেটে অতিরিক্ত টাকা ও চালকে মারধরের অভিযোগ উঠল টোল কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল গোটা এলাকায়। জানা গিয়েছে যে একটি লড়ি গুয়াহাটি থেকে কয়লা বোঝাই করে মালদার সামসীর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। এরপর ঘোষপুকুর সংলগ্ন পশ্চিম মাদাতি টোলগেটে টোল ট্যাক্স কাটার জন্য দাঁড়ায় লড়ি চালক। লড়ির চালক ৫০০ টাকা দেয় টোল ট্যাক্স কাটার জন্য। এর পরে চালক বাকি টাকা টোলপ্লাজার কর্মীর কাছে চাইলে তাকে গালাগালি করে এবং ওভারলোডের বাহানা দেখায়। শুরু হয় টোলকর্মী ও চালক এর মধ্যে বচসা।

তখন টোলকর্মী ওভারলোডিং এর ফাইন দিতে হবে এমনি দাবি করে। এবং সাথে সাথে চালক আসাম বর্ডার পার হওয়ার স্লিপ দেখায়। যে লড়িতে ওভারলোডিং নেই কিন্তু সেটা দেখার পরও মানতে চাননি টোলপ্লাজার কর্মীরা। সেই সময় গাড়িচালক সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে চলে আসে এবং টোলপ্লাজার কর্মীদের বলে বিধান নগরে কাটা করার জন্য। কারণ টোল প্লাজার ওজন করার কাঁটা বেশি করা রয়েছে। এরপর লড়িতে চালক টোলের কর্মীকে বাসান বিধাননগরে কাটা করার জন্য। কিন্তু পরবর্তীতে টোল প্লাজার কর্মীরা অপর এক গাড়ি নিয়ে লড়ির পিছু করে বিধান নগরে এসে গাড়ি চালককে ব্যাপক মারধর করে।

এই দেখে তরীঘরী স্থানীয়রা খবর দেন পুলিশকে। এরপর বিধাননগর থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও চালকে অভিযোগ যে প্রায় রাতের বেলা টোলপ্লাজাতে টোল ট্যাক্স দেওয়ার সময় রীতিমতো প্রত্যেক গাড়ি থেকে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা মারধর করে নিয়ে নেন টোলপ্লাজার কর্মীরা। টাকা না দিলে চাইলে গাড়ি আটক করে মারধর করা হয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দেওয়া হয়। অপরদিকে এই বিষয়ে বরাত পাওয়া টোলের ম্যানেজার হরমন সিং বলেন যে টোল প্লাজার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি আরও বলেন যে গত তিন মাস ধরে এই টোলপ্লাজায় বহু গাড়ি যাতায়াত করছে কিন্তু এখন পর্যন্ত এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি যার জন্য গাড়ি চালকে মারধর করা হয়েছে।