ক’রো’না থেকে নিজেকে দূরে রাখতে নিয়মিত নিজের প্রস্রাব পান করছেন এই মহিলা!

বিগত প্রায় এক বছর ধরে বিশ্বজুড়ে দাপটের সঙ্গে বিরাজ করছে করোনা। করোনার জেরে প্রায় সর্বস্তরের মানুষের জীবনযাত্রার উপর বেশ প্রভাব পড়েছে। দীর্ঘ বেশ কয়েক মাস ধরে স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত, কলকারখানা বন্ধ থাকার পর অবশেষে আনলক পর্বে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে পৃথিবী। করোনাকালে মহামারীর থেকেও কার্যত দুরন্ত গতিতে ভাইরাল হয়েছে বেশকিছু কুসংস্কার, অপপ্রচার এবং ভুয়ো খবর!

এইসব খবর, টোটকার ফলাফল যে কি মারাত্মক হতে পারে তার তার প্রমাণ মিলেছে ইতিপূর্বে। ভুয়ো খবরের পাল্লায় পড়ে প্রাণ খোয়াতে বসেছিলেন বহু মানুষ। এবার সেরকমই এক সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, স্বাস্থ্যের পক্ষে হানিকারক খবরে বিশ্বাস করে তা বাস্তব জীবনে কার্যকর করে খবরের শিরোনামে উঠে এলেন লন্ডনের এক তরুণী। সোশ্যাল মিডিয়ার এক ভিডিও দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বিগত চার দিন ধরে নিজের প্রস্রাব নিজে পান করেছেন!

শুধু তাই নয়, তিনি তার সন্তানদেরও অনুপ্রাণিত করেন যাতে তারাও একই ভাবে নিজের প্রস্রাব পান করে। খবর পেয়ে শেষমেষ “হেল্থওয়াচ সেন্ট্রাল ওয়েস্ট লন্ডন” এর তৎপরতায় তাকে ক্ষান্ত করা গিয়েছে। যতদূর জানা গেল, ওই মহিলা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেই একটি ভিডিও দেখেছিলেন যেখানে বলা হয়েছিল নিজের প্রস্রাব পান করলে নাকি করোনা হয় না!

সেইমতো তিনি সেই টোটকা একেবারে চোখ বুজেই অনুসরণ করেন। তবে এই ধরনের অভ্যেস স্বাস্থ্যের পক্ষে যথেষ্ট হানিকারক বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত সোশ্যাল মিডিয়ার ভুয়ো খবরের চক্করে পড়েই প্রাণ খোয়াতে বসেছিলেন ব্রিস্টলের এক যুবক। করোনার হাত থেকে বাঁচতে তিনি দিনে প্রায় পাঁচ লিটার করে জল খেতে আরম্ভ করেছিলেন। শরীরের সোডিয়াম লেভেল কমে গিয়ে বাথরুমেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান তিনি।