গা’ছে’র ডা’লে “ডিম” ধরিয়েছে এই দশম শ্রেণীর ছাত্রী, হ’ত’বা’ক নে’ট দু’নি’য়া

করোনার কারণে খোলেনি স্কুল। সংক্রমণ অতিমাত্রায় ছড়ানোর আশঙ্কায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ স্কুল কলেজগুলি। এ অবস্থায় চার দেয়ালের মধ্যেই শিশু-কিশোররা তাদের বন্দি-সময় কাটাচ্ছে । এই অবসরে কেউ কেউ আবার করেছে ভিন্ন চিন্তাভাবনা। সিনেমা-ভিডিও গেমসে মনোনিবেশ না করে হাতের আশপাশে থাকা নানা উপকরণের মাধ্যমে তুলে ধরেছে নিজেদের সৃজনশীলতা।

রঙ্গন গাছে তো থোকায় থোকায় ফুল ধরার কথা। কিন্তু ওই গাছে ডিম ধরেছে। কথা টা শুনে অবাক লাগছে,কি তাই তো! ডিম ধরিয়েছে একজন দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাতা রহমান। ডিমের খোসা দিয়ে ময়নামতি জাদুঘরের রঙ্গন গাছটিকে দিয়েছে ভিন্নরূপ।বাবার কর্মসূত্রে মা-ভাইসহ রাতা থাকে কুমিল্লার কোটবাড়ীতে।স্কুল দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকাকালীন অবস্থায় সে নানা রকম সৃজনশীল কাজ করে চলেছে। তার বাবা ড. আতাউর রহমান প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কুমিল্লা সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর্মকর্তা।

তাঁর কথা অনুযায়ী মেয়ে রাতা ছোট বেলা থেকে নানান সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে জড়িত। তার কাজ দেখে অবাক শিক্ষক-বন্ধুসহ পরিচিত মহল। সূত্রের খবর, রাতা লেখাপড়ার পাশাপাশি পত্রিকা দিয়ে ফুলদানি, কলমদানি বানায়। গত বছর লকডাউন থেকে স্কুল বন্ধ হওয়ার কারণে অনলাইন ক্লাসের পর অবসর সময়ে গাছের ডালে ডালে নান্দনিক কারুকার্য, ছবি আঁকা, বাবার সাথে ছুটির দিনে শাকসবজি চাষ করে সময় কাটায় রাতা।

শেরে বাংলা নগর গার্লস স্কুলের ছাত্রী রাতা রহমান জানায়, ব্যতিক্রম কিছু করার ব্যাপারে সে বরাবরই খুব উৎসাহী। ডিমের খোসা দিয়ে গাছ সাজানোর বিষয়ে সে বলে, ‘ডিম যদি গাছে ধরত কেমন লাগত, সেটা ভেবে খোসাগুলো গাছে লাগিয়ে দেখেছি। আমার কাছেও দারুণ লাগছে।’ শুরুতে দেখলে যে কেউ অবাক হবেন। ভাববেন হয়তো সত্যিই বুঝি কোনো ডিম গাছ আছে।