ইনিই বিশ্বের সেরা কৃপণ, তার কৃপণতার হার মেনেছে সকলেই, জানুন সেই নারীর কথা

কৃপণ মানুষ অনেকেই দেখেছেন আশেপাশে নিজেদেরই। তো কৃপণ কথাটির অর্থ কি সকলেই জানেন। কিন্তু বাবা এ কেমন কৃপণতা? আসুন জেনে নিই কৃপণতার মাত্রাটা কতটা চূড়ান্ত পর্যায়ে গেলে একজনের ওপর এই কৃপণতার তকমাটা যেতে পারে। এই বিশ্বের সবচেয়ে কৃপণ ব্যক্তির তকমাটা পেয়েছে একজন নারী। তিনি হলেন হিট্টি গ্রীন, আমেরিকার নিউইয়র্ক এর বাসিন্দা। জীবনে বাঁচতে গেলে প্রত্যেকটা মানুষই একে অপরের উপর নির্ভর করে থাকে, এক কথায় বলা যায় যে কেউ কাউকে ছেড়ে বাঁচা সম্ভব নয়। পৃথিবীতে মানুষের চরিত্র নানা রকম হয় তা বলা বাহুল্য।

কেউ উদার মনোভাবের আবার কেউ চরম কৃপণ। তবে একটা মানুষ কতটা পরিমাণ কৃপণ হলে তাকে খ্যাতনামা সেরা কৃপণ বলে গণ্য করা হয় সেটা কিন্তু বিশাল ভাবার বিষয়। ভাবতে অবাক লাগে যে এই কৃপণ মহিলা একজন সফলতার পর্যায়ে পৌঁছানো রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী।

তার কৃপণতা এতটাই চরম পর্যায়ে ছিল যে জানা যায়, জল খরচ বেশি হবে বলে তিনি হাত ধুতেন না, সাবান বাঁচানোর জন্য তিনি যতক্ষণ না পর্যন্ত তার পোশাকটাও অত্যাধিক ময়লা না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত সেই পোশাক পরিষ্কার করতেন না। এমন কি জানা গেছে পোশাকের শুধুমাত্র ময়লা অংশটিই পরিষ্কার করতেন। গরম জল যাতে কম ব্যবহার করতে হয় সেই জন্য অতিরিক্ত শীতেও তিনি গরম জল ব্যবহার পর্যন্ত করতেন না স্নান এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও।

এই কৃপণ মহিলা মারা যাওয়ার পর জানা যায় ব্যাংকে প্রায় ৭৫ কোটি টাকা রেখে যান। এর পরও তাঁর কৃপণতার উদাহরণ হল তিনি একজন ধনী মানুষ হয়েও ছেলের অ্যাক্সিডেন্টে পা ভেঙে গেলে, কোন ভালো জায়গায় চিকিৎসা না করিয়ে তিনি চলে যান দাতব্য চিকিৎসালয় খুঁজতে। তাতে হলো কি? সময় নষ্ট হওয়ার কারণে পা টাই নষ্ট হয়ে গেল।