মমতার মুখে শোনা গেলো “প্লিজ” শব্দটি, করলেন ভোট প্রার্থনা

গত ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে হুগলি কেন্দ্র বিমুখ করেছিল রাজ্য সরকারকে। লোকসভা নির্বাচনে হুগলির ১৮টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৮টিতে পিছিয়ে ছিল তৃণমূল। সেই হারের কথা মাথায় রেখে এবার আসন্ন না একুশের লড়াইয়ে হুগলির বাসিন্দাদের মন পেতে মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল। কখনো ক্ষমা প্রার্থনা করে, কখনো অনুরোধ করে, কখনো আবার বিগত দিনে রাজ্যে কি কি উন্নয়ন ঘটেছে তা মনে করিয়ে দিয়ে ভোট প্রার্থনা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

একুশের লড়াইয়ে হুগলির ১৮টি বিধানসভা কেন্দ্রকেই টার্গেট করছে তৃণমূল। হুগলির আসন জিততে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কতটা মরিয়া তা এদিন ডানলোপের জনসভায় স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে তার বক্তব্যে। ভোট প্রার্থনা করতে তার মুখে “প্লিজ” কথাটিও শোনা গিয়েছে। সচরাচর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগে কখনো “প্লিজ” বলে ভোট প্রার্থনা করেননি। তবে ভোট বড় বালাই!

সিঙ্গুর, বলাগড়, চুঁচুড়া, পান্ডুয়া ও সপ্তগ্রাম বিমুখ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এদিন জনসভায় বক্তব্য রাখার সময় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত লোকসভা নির্বাচনে হুগলি থেকে তৃণমূল পিছিয়ে থাকায় তিনি বেশ দুঃখ পেয়েছেন। তিনি বলেন, “দোষ ত্রুটি যা ছিল তা অনেকখানি সংশোধন করে নিয়েছি। আগামী দিনেও তা নেব। যা হয়েছে ভুলে যান। এখন বাংলাকে বাঁচান।”

এক ঘন্টার সভা শেষের মুখে মুখ্যমন্ত্রী হুগলি বাসীকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন দ্বারকেশ্বর-মুণ্ডেশ্বরীতে সেতু, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, আরামবাগ মাস্টারপ্ল্যান, ব্যান্ডেল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পঞ্চম ইউনিট তৈরি, হ্যান্ডলুম, প্লাস্টিক, এমব্রয়ডারি এবং ঝুটো গয়নার ‘ক্লাস্টার’-এর কথা, যা রাজ্য শাসকদলেরই অবদান।