২৩ বছরের যুবককে বিয়ে করার জন্য ৫ কোটি দিয়ে ঘরে আনলেন মহিলা

টাকা দিয়ে যে সব কিছুই কেনা যায় সেটি আরও একবার প্রমাণিত হলো। ভালোবাসার সম্পর্কই হোক বা সুখ স্নেহ সবকিছুই হার মানে টাকার কাছে। শূন্যের কোনো দাম নেই কিন্তু এই শূন্যই যদি কোন সংখ্যার পাশে বসে একাধিকবার বসে থাকে তাহলে সেই সংখ্যক টাকার কাছে পৃথিবীর সব কিছুই মাথানত করতে পারে। বিগত কিছু মাস আগে ঘটে যাওয়া চীনের এমনই একটি ঘটনা এটির চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত।

এই বছরের শুরুর দিকেই অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে চীনের একটি ঘটনা ভাইরাল হওয়ার সাথে সাথে দেশজুড়ে অনেক সমালোচনার সৃষ্টি করে। প্রথমের দিকে বিয়েতে ইচ্ছা প্রকাশ না করলেও অবশেষে টাকার কাছে হার মেনে ৩৮ বছরের এক মহিলাকে বিয়ে করলেন ২৩ বছরের যুবক। জানা গেছে ৩৮ বছরের ওই মহিলা বিধবা এবং তার নাকি একটি ১৪ বছরের মেয়েও আছে। এই মহিলা নাকি ২৩ বছরের এক যুবকের প্রেমে পড়েন তারপর হয় একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক তাদের মধ্যে। এর ফলস্বরূপ অবশেষে গর্ভবতী হয়ে পড়েন ওই মহিলা।

অবশেষে তিনি ওই যুবককে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন, সেই প্রস্তাবে রাজি হননি যুবকের পরিবার। যুবকটির থেকে মহিলাটি ১৫ বছরের বড়। আরও অবাক হওয়ার বিষয় হচ্ছে যুবকটির মা নাকি ওই মহিলার থেকে মাত্র ১ বছরের বড়। তাই মায়ের বয়সী একজন মহিলার সাথে কিছুতেই বিয়ে দিতে চাননা যুবকের পরিবার।

৩৮ বছর বয়সী ওই মহিলার চীনের একজন বিজনেসম্যান। তার নাকি রিয়েল এস্টেট এর কারবার। বিপুল অর্থের মালিক তিনি। যুবকের পরিবারকে ৬,৬০,০০০ ইউয়ান দেওয়ার প্রস্তাব দেন তার সাথে সাথে যুবককে উপহারস্বরূপ একটি ফেরারি স্পোর্টস কার দেন। অর্থবোধ এর যৌতুক হিসাবে এটি ভারতীয় মুদ্রায় ৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকার সমান। রাজি হয়ে যায় যুবকের পরিবার। অত্যন্ত ধুমধাম করে হয় বিয়ের অনুষ্ঠান। নবদম্পতিকে দেখা যায় লাল ফেরারী চেপে আসছে।

তাদের বিয়ের ভিডিও সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল হয়ে পড়ার সাথে সাথেই উঠতে থাকে সমালোচনার ঝড়। একশ্রেণীর লোক ভিডিওটি দেখে মন্তব্য করেন শুধুমাত্র অর্থের লোভেই ছেলেটি নাকি মেয়েটিকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছে। অপরদিকে একাংশ দাবি করেন এইখানে একটি বয়স্ক ছেলে যদি একটি মেয়েকে বিয়ে করতে চাইত তাহলে সেখানে কোনো আপত্তি দেখা দিতো না তাহলে কেনই বা এই ক্ষেত্রে আপত্তি দেখা দেবে। তারা যা করেছেন ঠিকই করেছেন বলে সম্মতি জানিয়েছেন একাধিক মানুষ তার সাথে নবদম্পতির প্রতি ভালোবাসা এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন।