ট্রাম্পের বেনজির আক্রমণের শিকার WHO, চীনের জনসংযোগ সংস্থা বলে কটাক্ষ

করোনা পরিস্থিতিতে কোনোরকম কূটনীতি করা চলবে না, ভারতের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ বিতর্কের সময়েই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তারপর থেকে বেশ কয়েকবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হু-এর একপ্রকার ঠান্ডা লড়াই বেঁধেছিল। ঢিলের বিপরীতে ঢিল মারাও চলছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায়ই হুকে আক্রমন করে একাধিক কটাক্ষমূলক মন্তব্যও করেন। সেইমতো এবারেও ব্যতিক্রম হল না। বৃহস্পতিবার হু কে চিনের জনসংযোগ সংস্থা বলে তোপ দাগলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনিতেই এর আগেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করোনা নিয়ে ভূমিকার প্রশ্ন তুলে তদন্ত শুরু করেছে।

তবে এবার কিন্তু কটাক্ষের চরম সীমায় পৌঁছালেন ট্রাম্প। তাই হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক সম্মেলন করে চিনের জনসংযোগ হিসেবে কাজ করছে হু তাই লজ্জা হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন। যদিও এখানেই থেমে থাকেন নি। চিনের সঙ্গে আমেরিকার অনুদানের টুলনা টেনে হু-এর ভুলের মাশুল হাজার হাজার মানুষকে দিতে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করতে শোনা যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। একইসঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান নাকি চিন ঘুরে এসে তবে বিশ্বব্যাপী মহামারি হিসেবে ঘোষণা করতে রাজি হলে না।প্রসঙ্গত, গত বছর ডিসেম্বরে প্রথম চিন দেশে করোনা হানা দেয়।

তারপর থেকে এখনও অবধি বিশ্বের মোট ২০৪টির বেশি দেশে ছড়িয়েছে করোনা। এখনও অবধি বিশ্বে দুলক্ষের কাছাকাছি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন করোনায়। তাই তো প্রতিটি দেশের প্রশাসন কিন্তু কোমর বেঁধে করোনা মোকাবিলায় মাঠে নেমেছেন। এমনিতেই করোনা মোকাবিলায় নাকি হু কোনোরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি, এমনটাই বলেছিলেন WHO-এর ডিরেক্টর-জেনারেল টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসুস (Tedros Adhanom Ghebreyesus)

এমনকি হুকে চিনের পক্ষপাত দুষ্ট বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর আগে থেকেই বার বার চিনকে কাঠগড়ায় তুলে চিনকে আর্থিক অনুদান দেওয়া বন্ধ করেছে।