প’রি’বা’রে’র অ’নু’ম’তি ছাড়াই বি’য়ে, বধূকে শ্ব’শু’র’বা’ড়ি’তে আনতেই যে অবস্থা হলো..

পরিবারের অমতে বিয়ে করে নববধূকে নিয়ে ভাড়া বাড়িতে গিয়ে উঠেছিল পাত্র। সেই নববধূ যখন বিয়ের ছয় মাস পর শ্বশুর বাড়িতে থাকার জন্য জোরাজুরি করতে শুরু করেন তখন পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে গেল। কারণ পাত্রের মা কিছুতেই ছেলের এমন পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানাচ্ছেন না। এমনকি ছেলের বউকেও ঘরে তুলতে নারাজ তিনি। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে উত্তাল হয়ে উঠল রায়গঞ্জ থানার বাজিতপুর গ্রাম।

অভিযোগ রায়গঞ্জ থানার বাজিতপুর গ্রামের বাসিন্দা টিংকু দাস ছয় মাস পূর্বে প্রতিবেশী চাঁদ মনি দাসকে নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। এরপর তারা একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। টিংকু পেশায় স্থানীয় একটি বিএড কলেজে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করেন। বিয়ের পর তিনি নববধূর সেভাবে কোনো দায়িত্ব নিচ্ছিলেন না। এমনকি তার খাওয়া দাওয়ার জন্যেও তেমন কোনো ব্যবস্থা করছিলেন না।

কাজে যাওয়ার নাম করে নিজের বাড়িতে এসে কোনরকমে স্নান করে খেয়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন, অথচ স্ত্রীর কোন দায়িত্ব নিচ্ছেন না। এমনকি রাতেও তাকে বারবার ফোন করে ডেকে আনতে হচ্ছে। টিংকুর বিরুদ্ধে এমনই সব অভিযোগ দায়ের করছেন তার নববিবাহিতা বধু এবং ভাড়া বাড়ির মালিক। শেষমেষ চাঁদমণি তার শ্বশুর বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এদিকে শাশুড়ি নিজের দাবী থেকে সরতে নারাজ।

টিংকুর পরিবারের দাবি, মরে গেলেও চাঁদ মনিকে তারা ঘরে তুলতে রাজি নন। এদিকে চাঁদ মনির পরিবার এবং প্রতিবেশিরা জোর করে চাঁদ মনিকে শ্বশুর বাড়িতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করতেই উভয়পক্ষের মধ্যে ধুন্ধুমার কান্ড বেঁধে যায়। বিশাল পুলিশবাহিনী শেষমেষ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন।