ঐশ্বরিয়ার কোমল ত্বকের রহস্য ফাঁস, কেরালা থেকে গোপনে আনেন এই বিউটি প্রডাক্ট

একসময় নিজের সৌন্দর্য আগুনে মুহূর্তে পুড়িয়ে ফেলতে পারতেন প্রত্যেক মানুষের মন,তিনি আর কেউ নয় বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। তার নীল চোখের চাহনিতে মুগ্ধ হয়ে যেত সকলে। আজও বহু অভিনেত্রী তার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় হেরে যাবে। তবে কীভাবে এই বয়সেও নিজের সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন, এবার সেই রহস্য সকলের সামনে এলো।

সম্প্রতি ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এর প্রথম জীবনে একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে। এই ছবিটি দেখলে এক কথায় চমকে উঠবেন সকলে। কিন্তু কিভাবে দিন দিন দিন এত সুন্দর হয়ে উঠছেন, এই রহস্য অনেকেই জানতে চান। অবশেষে বহু প্রতিক্ষার পর ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের রূপের রহস্য হলো ফাঁস। না, কোন কসমেটিক প্রোডাক্ট নয়।ঐশ্বর্য এই বয়সেও নিজের সৌন্দর্য ধরে রাখতে পারছেন শুধুমাত্র আয়ুর্বেদের হাত ধরে।কেরালা থেকে বিশেষ ভাবে তিনি অর্ডার দিয়ে নিয়ে আসেন কিছু আয়ুর্বেদিক প্রোডাক্ট।অন্তঃসত্বা হবার পর থেকেই তিনি এটি ব্যবহার করতে শুরু করেছেন।নিয়মিত কিছু আয়ুর্বেদিক প্রোডাক্ট ব্যবহার করার ফলে তার সৌন্দর্য গর্ভবতী হওয়া কালীন একটুও কমেনি। বহু নারীর মা হয়ে যাবার পর শরীর অনেক ভেঙে যায়, ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এই ক্ষেত্রে একেবারেই ব্যাতিক্রম। মেয়ে আরাধ্যাকে পাশে নিয়ে তিনি যখন ছবি পোস্ট করেন, তখন তাকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে তিনি এক কন্যার মা।

এক সংবাদ সংস্থা দাবি করেছেন যে, শুধুমাত্র আয়ুর্বেদিক প্রোডাক্ট মেকিং ঐশ্বর্য রাই নিজের সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন। যদিও এ বিষয়ে ঐশ্বর্য রাই বচ্চন সেই ভাবে কিছু কথা বলে নি কোনদিন। তিনি শুধু জানিয়েছেন যে, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে এবং শসার রস মাখলে ত্বকের জেল্লা বাড়তে পারে। বর্তমানে ঐশ্বর্য্যের ছবি এবং তার পুরনো ছবি পাশাপাশি লাগলে একেবারেই তাকে চেনা যাবে না। এই বয়সেও তার মুখ থেকে গ্ল্যামার যেন উপচে পড়ে। তাহলে আজ থেকে শুরু করে দিন আয়ুর্বেদিক প্রোডাক্ট ব্যবহার করা। অদূর ভবিষ্যতে আপনিও পেয়ে যেতে পারেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের মত গ্ল্যামার।