অনেকটাই বাড়বে টিভির দাম, চাপানো হচ্ছে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক

টানা লকডাউন থাকার কারণে মানুষের বাড়িতে থাকার প্রবণতা অনেকটাই বেড়ে গেছে। বাড়িতে থেকে মনোরঞ্জন করার জন্য মানুষের কাছে রয়েছে শুধুমাত্র টিভি এবং মোবাইল।তাই আগামী মাসে প্রথম দিক থেকেই টিভি তৈরীর গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ওপেন ছেলের ওপর ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক চাপা দিয়ে চলেছে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ দেশের অভ্যন্তরে ওপেন সেলের উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়া। এই শুল্ক চাপানোর ফলে টিভি সেটের দাম ২৫০ টাকা বাড়তি পারে।

২০১৮ সালের মার্চ মাসে ওপেন সেল আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ শুল্ক বসেছিল কেন্দ্র। কিন্তু স্থানীয় টিভিউৎপাদকদের কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানানোর পর সেই শুল্ক প্রত্যাহার করে নিয়েছিল কেন্দ্র।স্থানীয় টিভি উৎপাদকদের আর যে ছিল যে দেশের মধ্যে ওপেন সেল তৈরীর ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য তাদেরকে আরও কিছু সময় বরাদ্দ দেওয়া হোক। অর্থ মন্ত্রকের দুই আধিকারিক নাম গোপন রাখার শর্তে জানিয়েছেন যে, অধিকাংশ উৎপাদক বিষয়টি হালকাভাবে নিয়েছেন।

শুল্ক ছাড়া ওপেন সেল আমদানি সময়সীমাও শেষ হচ্ছে এই মাসের শেষের দিকে। এক আধিকারিক জানিয়েছেন যে, বিদেশ থেকে আমদানি করে ভারতবর্ষে শুধুমাত্র সাজিয়ে নিয়ে টিভি বানানোর পথ থেকে বের করার জন্য এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভারতকে আত্মনির্ভর করে তোলার জন্য আমাদের উৎপাদকরা শুধুমাত্র আমদানিকৃত সরঞ্জাম সাজানোর মধ্যে আটকে থাকতে পারবেন না। তাদেরকে নিজেদের চেষ্টা করতে হবে উৎপাদন বাড়ানোর। আমদানির ওপর ভিত্তি করে ভারতে চিরকাল উৎপাদন চলতে পারে না।

৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক চাপানোর ফলে স্ক্রিনের দৈর্ঘ্যের ভিত্তিতে টিভি সেটের দাম বেড়ে যাবে আর ৬০০ থেকে ১৫০০ টাকা। এ প্রসঙ্গে আধিকারিক এই দাবিকে অতিরঞ্জিত বলেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, ৩২ ইঞ্চি টিভির জন্য ২৭০০ টাকা ওপেন সেল আমদানি করে প্রথম সারির সংস্থাগুলি। ৪২ ইঞ্চি টিভির ক্ষেত্রে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার থেকে ৪৭০০ টাকা। তাই স্ক্রিনের দৈর্ঘ্যের ভিত্তিতে ওপেন সেলের উপর ৫% আমদানি শুল্ক চাপানোর ফলে টিভি সেটের দাম খুব জোর ১৫০ থেকে ২৫০টাকার বেশি হবে না।